শিক্ষা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ
নিয়মিত পরিচর্যা ও পরিচালনার অভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
- / ৯৮ বার পঠিত

ওয়ালীনেওয়াজ খান কলেজ, কিশোরগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রাচীনতম একটি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে উঠেছে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত পরিচর্যা ও পরিচালনার অভাবে আজ প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অনেকটা রথ দেখা ও কলা বেচার মতো উক্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও আমার একটি বিশেষ কাজে গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখতে পাই সেখানে জনশূন্য এক ভুতুরে পরিবেশ বিরাজ করছে। আজ কেনো জানি আমার কাছে মনে হলো এই কলেজটি অভিভাবক শূন্য। এই প্রতিষ্টানে অনেক শিক্ষক আছেন বিগত কয়েক মাস যাবত বেতন ভাতা ও পাচ্ছেন না তারা। ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মহোদয়ের নিয়মিত কলেজে আসেন না, এমনকি সপ্তাহের পর সপ্তাহ যায় উনার কোন খবরও নেই। অন্যদিকে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এই কলেজের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত একজন গভর্নিং বডির সম্মানিত সদস্যের সাক্ষাৎকারে বলেছেন প্রিন্সিপাল মহোদয় উনার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানে যাওয়া আসা করেন এমনকি প্রাতিষ্টানিক জরুরী কোন মিটিং ব্যতীত তার উপস্থিতি সম্পুর্ণরুপে অনিয়মে জর্জরিত। উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষক এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারির সাথে কথা বলে বিষয়টি জানতে পারলার যে ওয়ালীনেওয়াজ খান কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো: আবদুল্লাহ আল মামুন কে গত ২৮/৩/১৮ ইং তারিখে অনিয়ম উপস্থিতির কারনে এবং পেশাগত সঠিক দ্বায়িত্ব অবহেলার কারনে উনাকে গবর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইংরেজি বিভাগীয় প্রধান এর পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এমন অভিযোগ ও আছে যে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল আবদুল্লাহ আল মামুন একজন মানসিক ভারসাম্য হীন ও অতিরিক্ত মেজাজ খারাপের ব্যাক্তি। উনি প্রায় সময় কলেজে এসে বেগ ডেইডে বিভিন্ন ফাইলে সই করে থাকেন যা নাকি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণরূপে অনিয়মিত বহির্ভূত।
একটি প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এইভাবে অবহেলায় ও অপরিচর্যার কারনে বিনষ্ট হয়ে যাক এটা অত্র এলাকার জনগন তা কামনা করে না। বিগত দিনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে কলেজের হতে অতিরিক্ত ৫ পাচ হাজার টাকা ও নিচ্ছেন যতটুকু জানা গেল ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে। নিজ বাসায় বসে ওনি অফিসিয়ালি সমস্ত কাজকর্ম চলিয়ে যান। এমন কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে থাকা যতগুলো বোর্ড পরীক্ষা হয় মাস্টারস,অনার্স,ডিগ্রি কোন পরীক্ষা চলা কালিন সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে ওনি কলেজে থাকেন না বলে জানা গেছে। অথচ সমস্ত পরীক্ষার ভাতা অনুসারে ৯ পার্সেন্ট ওনাকে দিতে হয় তা না হলে ওনি কোন কাগজে পএে স্বাক্ষর করেন না।
সরজমিনে গিয়ে আরো জানতে পারলাম যদিও বা উনি কোনদিন কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেন সর্বচ্চো ঘন্টা দুয়েকের জন্য, সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিক্ষক, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যথারীতি খারাপ আচার-আচরণ করে যাচ্ছেন অযথাই। নিয়মিত কলেজ প্রিন্সিপাল না থাকার কারনে ব্যাহত হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়মিত ক্লাস ও ক্লাসপরিক্ষা সমুহ। উক্ত প্রতিষ্ঠানের যথারীতি সাফল্য কামনা করছি আমি পাশাপাশি শিক্ষা অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
-মোঃ মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু), কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক নাগরিক ভাবনা































