
মো. জাহিদ হাসান, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সেতু নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে যে উচ্চতা দেওয়ার কথা তা দেওয়া হয়নি। ব্রীজে করা হয়নি প্যালা সাইডিং। এতে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা এবং ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনিয়মের সুরাহা না হলে এই ক্ষোভ বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন কেউ কেউ। উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের বালিহাটা ঈদগাহ রাস্তায় ১১ মিটার সেতু ও আঠারবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বনগাঁও রেল লাইন হতে কাতিয়ার হাওর সরাতির রাস্তায় ৯.৭৫ মিটার সেতু নির্মাণ প্রকল্পে এই অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
জানা যায়, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার সেতু/ কালভার্ট নির্মাণ ( সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় দুটি সেতু নির্মাণ বাবদ বরাদ্দ হয় ৭৮ লক্ষ,১৯হাজার ৫ টাকা। কাজটি পায় চাঁনপুর সিহেশ্বর ফুলপুর এলাকার ঠিকাদার মেসার্স শফিক এন্টারপ্রাইজ।
জানা গেছে, বালিহাটা ঈদগাহ্ রাস্তায় নির্মিত সেতুর উচ্চতা ২০ ফুট হবার কথা থাকলেও সেটি করা হয়েছে ১৫ ফুট। এছাড়াও নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বনগাঁও রেল লাইন হতে কাতিয়ার হাওর সরাতির রাস্তায় নির্মিত সেতুতে উচ্চতা ১৮ ফুট করার কথা থাকলেও সেটি করা হয়েছে ১৫ ফুট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অর্থ লোপাটের পথ সুগম করতেই এমন করা হয়েছে।এতে করে অদূর ভবিষ্যতে ব্রীজের সুফল থেকে বঞ্চিত হতে পারে এলাকার মানুষ। ফলে এটি একরকম জনগণের অর্থের অপচয় বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী কেউ কেউ।
এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ‘ব্রীজের উচ্চতা কমিয়ে দিলে বিলও কম দেওয়া হবে।টেনশনের কিছু নাই,বিল দেওয়ার সময় আপনারা চাইলে দেখে যেতে পারেন'।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরশাদুল আহমেদ বলেন,‘তারুন্দিয়া ব্রীজ আমি পরিদর্শন করেছি। বিল বাকি থাকায় হয়তো প্যালা সাইডিং করা হয়নি।
যে উচ্চতা দেওয়া হয়েছে এর চেয়ে বেশি দিলে মানুষের রাতের বেলা চলাচলে সমস্যা হবে। তাছাড়া গাড়ি উঠার সময় দুর্ঘটনা হতে পারে। আর বিল দেওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চতা অনুযায়ী দেওয়া হবে,অতিরিক্ত বিল নেওয়ার সুযোগ নেই’।
ন/ভ
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত