
প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১২, ২০২৬, ২:৩২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ৪:২৩ পি.এম
উখিয়ার যুবদল নেতা ফরিদুল আলম রাজপথের দু:সময়ের সাহসী ঠিকানা

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মো:ফরিদুল আলম একজন সহজ-সরল যুবনেতা।চরম দু:সময়ে দলের নেতাকর্মীদের আগলে রাখার দু:সাহসিক নাম তিনি তারুণ্য নির্ভর রাজনৈতিক কর্মী। পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী।খাবার হোটেল ও জায়গা-জমি'র ব্যবসা রয়েছে তার।রয়েছে চাল-ডালের ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা।রয়েছে সরকারী রাজস্ব প্রদানের বাজার ইজারার ডাক।এলাকায় একজন দানবীর ব্যক্তি হিসেবেও ব্যাপক পরিচিত এবং প্রশংসিত।তার সহোদর বড় ভাই স্থানীয় ইউপি'র নির্বাচিত মেম্বার। ব্যবসায়ীক, রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিত্বকারী পরিবার হিসেবে এলাকায় বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষের দ্ধারা ষড়যন্ত্রমুলক জেল-জুলুমের শিকারও হয়েছেন।তারপরও থেমে থাকেন নি।এলাকার মানুষের সুখে:দু:খে পাশে থেকেছেন। যুবদল নেতা ফরিদুল আলম জানান,তিনি পারিবারিক ভাবে ব্যবসায়ীক ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান।তাহার বাবা মরহুম সৈয়দ মোস্তফা একজন খাবার হোটেলের ব্যবসায়ী ছিলেন।বড় ভাই সিরাজুল হক সওদাগর,ছৈয়দ আলম সওদাগর, নুরুল আলম সওদাগর,ভাইপো সুলতান, আমিন এবং তিনিও পারিবারিক ভাবে খাবার হোটেলের ব্যবসায়ী। উখিয়ার ঘাট কাস্টমস, থাইংখালী বাজার,পালংখালী বাজার,টেকনাফের শামলাপুর বাজার,বালুখালী বাজারে বড় খাবার হোটেল ও বেকারিজ ছিল।বর্তমানে বালুখালী পানবাজারে স্বাদ কুলিং কর্ণার এন্ড মিষ্টান্নের দোকান,বড়ভাই ও ভাইপোদের ২টি খাবারের দোকান, কাস্টমস স্টেশনে ভাইয়ের হোটেল বিদ্যমান রয়েছে।বৈধ ব্যবসা থেকে ব্যবসায়িক সফলতায় বর্তমানে বালুখালী বাজারের ইজারাদার, চাল-ডালের দোকান,জায়গা-জমির ব্যবসা রয়েছে।তিনি সরকারের কোষাগারে ৩টি প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে আয়কর দিয়ে আসছেন।তাদের পারিবারিক দোকানে পূর্বেও ২০/২৫ জন কর্মচারী ছিল,এখনো আছে।তাহার নামীয় কোটি-কোটি টাকার সম্পদ আছে মর্মে অপপ্রচার হচ্ছে।তার একটি মোটর সাইকেল আছে মাত্র,আর কোন মোটর যান নেই।কক্সবাজারে তার নামীয় মালিকানাধীন কোন হোটেল নেই।জায়গা-জমি বলতে ক্রয়ের জন্য বায়নানামা করেন আবার মুনাফা দিয়ে বিক্রি করেন।স্থায়ী তেমন কোন জায়গা জমি নেই।যা আছে তা কেনেন আর বিক্রি করে থাকেন।তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, হচ্ছে।এর জেরে তৎকালিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জায়গা-জমির বিরোধ,মারামারি আর ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার একাধিক মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। সেসব মামলায় জামিনে রয়েছেন তিনি।এসব মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।তবে এখনো পর্যন্ত কোন মামলায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছি, কোন ছবি বা ভিডিও আছে কিনা প্রশ্ন রেখে বলেন,আদালত কর্তৃক তিনি দোষী সাব্যস্থ হন নি। তারা পারিবারিক ভাবে বিএনপি'র রাজনীতির সাথে জড়িত।ফরিদুল আলম যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত আছেন।তাদের গোষ্ঠীগত ভাবে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড থেকে প্রতি নির্বাচনে জেঠাতো ভাইদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে আসছেন।বর্তমানেও তাহার বড়ভাই নুরুল আলম পালংখালী ইউপির ১ নং ওয়ার্ডের বিপুল ভোটে নির্বাচিত মেম্বার। বংশ পরম্পরায় কোন না কোন একজন মেম্বার প্রার্থী হয়ে থাকেন।ফলে এলাকায় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাদেত প্রতিপক্ষ রয়েছে।রাজনৈতিক, পারিবারিক,সামাজিক ও ব্যবসায়িক দন্ধের জের ধরে প্রতিপক্ষরাই তাদের পিছু লেগেই আছেন বিগত কয়েক যুগ ধরে।প্রতিপক্ষের লোকজন তাদেরকে রাজনৈতিক, পারিবারিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিসাধন ও ভার্বমুতি ক্ষুন্ন করার মানসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে তৎপর ছিলেন আছেনও।তারাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তকমা লাগিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হন।চলতি বছরে ফরিদুল আলম বালুখালী বাজারের ইজারাদার প্রাপ্ত হন।এলাকার গুটিকয়েক টোকাই প্রকৃতির চাঁদাবাজ বিনা পুঁজিতে বাজার ইজারায় পার্টনার হতে অনৈতিক প্রস্তাব করে প্রত্যাখাত হয়ে নতুন করে তাদের পূর্বের প্রতিপক্ষের লোকজনের যোগসাজসে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। যা একেবারে টাকার জোরে সিন্ডিকেট প্রচারণা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ নেই।শুধু গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ফাঁসিয়ে দেওয়া মামলায় গ্রেফতার ছবি দেখিয়ে বার-বার অপপ্রচার চালাচ্ছেন।এলাকায় তাদের পারিবারিক ভাবে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে।যার প্রমাণ গত ২০২১ সালে পালংখালী ইউপি'র নির্বাচনে হেভিওয়েট ৪ জন প্রার্থী'কে পিছনে ফেলে বিপুল ভোটে আমার বড়ভাই নুরুল আলম সওদাগর মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।একজন সৎ,নির্লোভ, নিরহংকার মেম্বার হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত নুরুল আলম মেম্বার।এলাকায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গরীব-দু:খী মজলুম মানুষের পাশে থাকায় কি তাদের পরিবারের অপরাধ ? সেসব তাদের প্রতিপক্ষরা সহ্য করতে পারছেন না।তারা পারিবারিক ভাবে সাধারণ জীবনযাপন করছেন।তাদের বাড়ির অবস্থান ক্যাম্প-৯ এবং ৮ ইস্টের মধ্যবর্তী। তাহার ব্যক্তিগত ভাবে চাল-ডালের দোকান রয়েছে,সেই দোকানের মালামাল ক্যাম্পের রেশন ডিস্ট্রিবিউশনের ঠিকাদারের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকেন বৈধপন্থায়।ফরিদুল আলমের কোন বাহিনী নেই।তিনি আল্লাহর উপর ভরসা কারী।এলাকার আমজনতার মেজরিটি তাদের ভালোবাসেন।তারা বিশাল জনগোষ্ঠী। তাদের পারিবারিক ভোট ব্যাংক রয়েছে শুধু ৮শত।তাদের বেশী সম্পদ না থাকলেও অভাব ছিল না।এলাকা ছেড়ে পালাতে হয়নি।চাকরি করতে হয়নি।শুধু রাজনীতি আর স্থানীয় নির্বাচন'কে কেন্দ্র করে পেশাদার মাদক কারবারি সিন্ডিকের রোষানলে গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তার এক ভাই'কে গুলি করে আহত করা হয়েছিল।চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।এই হত্যার পিছনে ইন্দনদাতা হিসেবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করা তৎকালিন দুই ইউপি সদস্য জড়িত ছিলেন। তারা এখনো আড়ালে ষড়যন্ত্রের বিষবাষ্প ছড়াচ্ছেন।তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচার তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ।তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সর্বেব মিথ্যা বানোয়াট ,কাল্পনিক,প্রতিপক্ষের সিন্ডিকেট অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেন।তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত