
চা আর সিঙ্গারায় ছিল না বিষ,
তবুও গিলে ফেললো বিষণ্ণ নিশ্বাস।
হাসাহাসির মাঝখানে জন্ম নিল শত্রু,
ভুল বোঝাবুঝির ছায়ায় ফুটল রক্তের ফুল।
"কি দেখলি?" প্রশ্নে ঘূর্ণায়মান চোখ,
উত্তরে ছিল নীরবতা, হাওয়ার রোক।
তবুও ডাকা হলো বন্ধু নয়—
লোহার ধার, কিশোরের ভয়।
প্রক্টর এলো, সমঝোতা হলো,
শান্তির ছদ্মবেশে আগুন জ্বলো।
তবুও রাত নামলে, ছায়া নামে ছুরি হাতে,
ডাকে 'চল একবার দেখা হোক রাতে।'
পারভেজ দৌড়ে এলো, রক্তমাখা বুক,
গেটের শাটার পড়লো, বন্ধ হলো সুখ।
নিরাপত্তা ছিল, তবু ছিল না ভরসা,
ছেলেটা মাটিতে লুটিয়ে পড়লো—মৃত্যুর নিঃশ্বাসে ভরা কসা।
বন্ধুরা কাঁদে, বই পড়ে না আর,
মায়ের চুলে জড়িয়ে আছে এক আকাশ ভার।
আর কত 'তুচ্ছ' হজম করবে এই শহর?
কোন হাসি, কোন দৃষ্টি হবে আগামীর দাহজ্বর?
জানতে চাই আমরা—
তোমরা যারা দেখেও চুপ,
তোমরা যারা শিক্ষার ছায়ায় গড়ে তোলো অস্ত্রের রূপ,
তোমরা যারা গেট বন্ধ করে দাও,
একটা প্রাণ হারিয়ে গেলে, কিসে তোমার ঘুম ভাঙে—বলো না কাও?
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত