
প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৪:৪৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ১৩, ২০২৫, ৪:৫৮ পি.এম
কাউখালীতে জেলেদের নিম্ন মানের বাছুর বিতরণের চেষ্টা।পরিবর্তন করার জন্য ফেরত দিলেন ইউ এন ও।

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : পিরোজপুরের কাউখালীতে দেশিও প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের অধীনের নিবন্ধন কৃত জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য বিনা মূল্যে বকনা বাছুর বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন মৎস্য অধিদপ্তর। এই প্রকল্পের অধীনে সোমবার ১৩ ই জানুয়ারি সকালে উপজেল উপজেলার ১শত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।এ সময় বিতরণের জন্য আনা বছুর গুলো নিম্ন মানের হওয়ায় স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে কর্তপক্ষ ফেরত পাঠিয়ে দিলেন। জানা গেছে প্রথম ধাপে উপজেলা মৎস অধিদপ্তরের অধীনে ৩৫ জন সুবিধা ভোগী জেলেদের মাঝে ৮০ কেজি ওজনের বকনা বাছুর বিতরনের কথা থাকলেও ৪৫ থেকে ৫৫ কেজি ওজনের দুর্বল ও নিম্ন মানের বাছুর নিয়ে আসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এ সময় উপস্থিত স্থানীয়রা প্রতিবাদ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ স্বজল মোল্লা ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার আলোচনা করে বাছুর গুলো ফেরত পাঠিয়ে দেন। দেশিও প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের অধীনের নিবন্ধন কৃত বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য জেলেদের মাঝে প্রতি বছরই প্রনোদনা দিয়ে থাকে মৎস অধিদপ্তর। এবারের প্রণোদনায় যুক্ত ছিলো বকনা বাছুর সেই লক্ষ্যে মৎস অধিদপ্তরের ক্রয় কমিটি টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় বকনাম বাছুর দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলায় প্রথম ধাপের ৩৫টি বকনা বাছুর নিম্নমানের নিয়ে আসে ঠিকাদার। এবং বাছুর গুলো ব্যানার পেচিয়ে বিতরন করার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বাধা দিলে তা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, বাছুর গুলো নিম্নমানের ছিলো, সে কারনে তা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান বাছুর গুলো ক্রয় প্রকল্পের পিডি মহোদয়ের দপ্তর থেকে ট্রেন্ডারর হয়ে আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা বলেন বকনা বাছুর গুলো মানসম্মত না হওয়ায় গ্রহণ করা হয় নাই।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত