
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে হতদরিদ্রদের চাল বিতরণের অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উপজেলার ৫নং র্শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে হতদরিদ্রদের জন্য (ভিজিডি) কার্ডের বিপরীতে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে বিনামূল্যে সরকারিভাবে চাল বিতরণ করা হয়। সোমবার ২৬ শে মে ৫ মাসের ডিউ থাকা ১৫০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। এসময় নৌকা প্রতীক নিয়ে বিনা ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান গাজী সিদ্দীকুর রহমান তার লোকজন দিয়ে সুবিধাভোগীর কাছে থেকে ৩০০ টাকা করে অবৈধভাবে গ্রহণ করে ২৫৫ জন হতদরিদ্র সুবিধা ভোগী নারীদের মাঝে এই চাল বিতরন করেন। যার ফলে অনেক হতদরিদ্র সুবিধা ভোগী নারীরা গোপনে সাংবাদিকদেরকে অবহিত করেন।গঠনাস্থলে উপস্থিত হলে সুবিধাভোগী শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহিম এর স্ত্রী রহিমা বেগম ও ফলইবুনিয়া গ্রামের জুয়েল সিকদারের স্ত্রী শাহানাজ পারভীন সহ অনেকেই জানান, যে চেয়ারম্যান প্রত্যেক সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশদের মাধ্যমে ৩০০ টাকা করে উত্তোলন করেছেন। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ জালাল সিকদারসহ অনেকেই বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান জানান, খাদ্য গোডাউন থেকে চাল ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত আনতে সরকারি ভাবে যে বরাদ্দ দেয়া হয় তা আমরা যথাসময়ে পাইনা। যে কারনে খরচ বহন করার জন্য এ সুবিধা ভোগীদের কাছে থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা যায়, ৫ মাসের এ বরাদ্দকৃত চাউল কাউখালী খাদ্য গুদাম থেকে শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে নেয়ার জন্য ১৫-১৮ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হয় না।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লাকে অবহিত করলে তিনি চেয়ারম্যানকে মুঠোফোনে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে নেয়া টাকা ফেরত দিয়ে তাদের কাছ থেকে লিখিত কাগজ তার দপ্তরে জমা দিতে বলেন। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, অবৈধভাবে টাকা নেয়ার বিষয়ে তার বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা লিখিত জবাব চেয়েছেন।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত