

ঈদুল ফিতর ঘিরে কুমারখালীর দর্জিপাড়ায় ব্যস্ততার চূড়ান্ত রূপ। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কাটিং-মাপজোখ-সেলাইয়ের কর্মযজ্ঞ। তবে ক্রমেই দর্জি সংকট প্রকট হচ্ছে, কারণ নতুন প্রজন্ম আগ্রহ হারাচ্ছে এই পেশায়। শেরকান্দি, গণমোড়, পাবলিক লাইব্রেরি,বিত্তিপাড়া, হরিনারায়ণপুর,কুষ্টিয়া সদর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে দর্জিদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। নিউ ঢাকা টেইলার্সের মাস্টার অমল চন্দ্র শর্মা জানালেন, ১০ রোজার পর থেকে কাজের চাপ বেড়েছে, কিন্তু দক্ষ কারিগর কমে যাওয়ায় সময়মতো পোশাক সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। দর্জিদের মতে, তৈরি পোশাকের সহজলভ্যতা ও সেলাই মজুরি বৃদ্ধির কারণে মানুষ দর্জির দোকানের পরিবর্তে দোকান থেকে তৈরি পোশাক কিনতে বেশি আগ্রহী। ফলে বছরের অন্যান্য সময় আয় কমে যাওয়ায় অনেকে পেশা বদলে অন্য কাজে যোগ দিচ্ছেন। কুমারখালী দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘সরকারি প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা পেলে এই শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হতো।’’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘‘দর্জি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’’
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত