শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। গণতন্ত্রের মূল্যবোধ, মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে নাগরিকদের অর্থবহ অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। জাতিসংঘ ২০০৭ সালে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন বা ভোট দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমান অধিকার, আইনের শাসন, জবাবদিহি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় মানুষের অংশগ্রহণ—এসবই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। জাতিসংঘের ২০২৬ সালের বার্তাতেও সংলাপ, সহযোগিতা ও বিভিন্ন মতের মানুষের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বে সামাজিক বিভাজন, সংঘাত ও মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মতের ভিন্নতাকে গ্রহণ করার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে আলোচনা, সভা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এবং শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক সমাজ গঠনে উৎসাহিত করা।
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই রাখতে নাগরিকের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সংলাপ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও শক্তিশালী হতে পারে।
-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা
প্রধান কার্যালয়: ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, পল্টন মডেল থানা, ঢাকা-১০০০।
হটলাইন: 09643-230220, মুঠোফোন: 01915-708187, মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@Copyright & reserved by NAGORIK BHABNA