প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ১:২৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ১১:১৭ এ.এম
গোবিন্দগঞ্জে তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মনোকষ্টের অবসান

জাহাঙ্গীর আলম, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা): দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য উদ্বোধন করা হয়েছে বারুনীতলা মহাশ্মশান।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর, রাখালবুরুজ ও নাকাই ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট শ্মশানঘাটের অভাবে নদীর পাড়ে দাহ কিংবা মাটিতে সমাধি দিতে বাধ্য হয়ে আসছিলেন। দীর্ঘদিনের মতবিরোধ, অর্থসংকট ও নানা জটিলতায় একটি স্থায়ী শ্মশান নির্মাণের উদ্যোগ বারবার থমকে যায়।
অবশেষে সব মতভেদ ভুলে তিন ইউনিয়নের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রায় ৪০ শতক জমির ওপর নির্মাণ করেন বারুনীতলা মহাশ্মশান।
২৪ আগস্ট সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মহাশ্মশানটির উদ্বোধন করেন কমিটির সভাপতি নিরুপম চন্দ্র সরকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি দীপক কুমার কর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিলু চন্দ্র, সমাজসেবী রিকুনুর রহমান মুক্তাসহ স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের ভক্তবৃন্দ।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্থায়ী মহাশ্মশান চালু হওয়ায় তিন ইউনিয়নের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে। এখন প্রিয়জনের মৃত্যুর পর শেষ বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে তাদের আর আগের মতো অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।
স্থানীয়দের ভাষায়, জীবনের শেষ বিদায়ের জন্য একটি স্থায়ী ও নিরাপদ স্থান নিশ্চিত হওয়াই তাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
প্রধান কার্যালয়: ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, পল্টন মডেল থানা, ঢাকা-১০০০।
হটলাইন: 09643-230220, মুঠোফোন: 01915-708187, মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@Copyright & reserved by NAGORIK BHABNA