
প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৫, ২০২৬, ৭:৩৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২৭, ২০২৫, ৪:৫৭ পি.এম
জেলা প্রশাসন গুড়িয়ে দিল ইটভাটা, বেকার হয়ে পড়ছেন হাজারো শ্রমিক

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক এবং উপজেলা প্রশাসনের একটি যৌথদল।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে শুরু করে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নিযুক্ত দলটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ২টি ইটভাটা স্কেভেটার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ও বান্দরবান জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। এছাড়া অভিযানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও বান্দরবান জেলা প্রশাসন এবং বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।এতে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বিএইচবি-১, জেএসবি-২ ব্রিকস গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এতে ভুক্তভোগী ইটভাটা মালিকরা প্রায় ৮০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন।
ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় এই ২টি ইটভাটায় প্রায় ১৫শ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এভাবে প্রতিনিয়ত ইটভাটা গুড়িয়ে দিলে এবং উচ্ছেদ করলে হাজার-হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে যাবে।পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।ইটভাটা মালিকরা আরো বলেন, ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে ককসবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রামুসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর-সরকারি অফিস-আদালত নির্মাণ বন্ধ হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫(সংশোধিত ২০১০) এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুসারে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,পরিবেশ সুরক্ষায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত