

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ কর্মসৃজন প্রকল্পে বিগত দুই অর্ধবছরের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। এতে কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মস্বাৎ করা হয়েছে। আর এসবই হয়েছে সংশ্লিষ্ট পিআইও’র যোগসাজসে। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে- বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পিআইও আলাউদ্দিন আওয়ামীলীগের জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের যোগসাজসে এসব প্রকল্পের কাজ না করেই বা নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দ আত্মস্বাৎ করেছে। এতে এলাকাবাসি উন্নয়ন বঞ্চিত হলেও আর্থিকভাবে কোটি কোটি টাকা লাভবান হয়েছেন পিআইওসহ সংশ্লিষ্টরা। ভুুক্তভোগী একাধিক সংবাদকর্মী বলেন, এলাকারবাসির অভিযোগ যাছাই-বাছাইয়ের জন্য বিগত দুই অর্থবছরের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সমূহের তথ্য চাওয়া হয় সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ি। ইউএনও মহোদয় যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদনটি পিআইও দপ্তরে পাঠালেও ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য দিচ্ছে না। এটি অনিয়ম ঢাকার চেষ্টা ছাড়া আর কিছ্ইু নয়।
আবেদনকারী আরও জানান, তথ্য না দেওয়ার পাশাপাশি আমাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক মো: আবুল কালাম বলেন, এ ধরনের ঘটনা শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, বরং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অবমূল্যায়ন করার সামিল।
স্থানীয় শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার যেখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, সেখানে একজন কর্মকর্তা কী-ভাবে তথ্য প্রদানে ভয় পায়। তাহলে কী দুর্নীত ফাঁস হওয়ার ভয় রয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিকবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ আফিয়া আমীন পাপ্পা বলেন, পিআইও কে বলা হয়েছে সে তথ্য দিয়ে দিবে, আপনি অফিসে এসে নিয়ে যাবেন।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত