

এর আগে শুক্রবার বিকেলে পাটোয়ার গ্রামের ইমরান হোসেন ও ফরিদ আহম্মেদের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। হামলায় অভিযুক্তরা হলেন পাটোয়ার গ্রামের ইমরান হোসেন (২৫), ফরিদ আহমেদ (৪০), কাজী রোটন(৩৬), কাজী সাকিব(২৫), সিয়াম(১৯), কাজী আনোয়ার(৪৫), কাজী জয়নাল আবেদীন (৫৫), কাজী আব্দুল মান্নান(৬২), শাকিল(২২), হাসান(২৭), হাসিব(২০), সাব্বির (১৯), সানিম(২০), কাজী আনিসুল হক(৫২), পলাশ(২৩), কাজী সোহাগ(২৮)সহ অজ্ঞাত ১২জন। পরে শনিবার ভোররাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাটোয়ার গ্রামের অভিযুক্ত ফরিদ ও শাকিলকে আটক করে শনিবার দুপুরে কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
মামলার বাদী কাজী মোস্তফা কামাল বলেন, পাটোয়ার কাজী বাড়ির ফরিদ ও জুলফিকারের সহযোগীরা পুকুর থেকে মাটি বিক্রি করে ওই মাটি আনিছ মিয়ার বাড়ীর পাশের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ায় আনিছ বাধা দেন। এ নিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন, এর জের ধরে পুনরায় হাসপাতালে এসে হামলা করে তারা।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার সালাউদ্দিন আজগর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার বিকেলে কয়েকজন যুবক জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা দুই রোগীর ওপর হামলা ও মারধর করে টেনে হিঁচড়ে বাহিরে নিয়ে যায়। তাদের বাধা দিলে আমার দুই সহকারীকেও মারধর করে তারা। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে নাঙ্গলকোট থানার ওসিকে অবহিত করি। হাসপাতালে ঢুকে এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে ফজলুল হক বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। দুই আসামীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত