
প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৩, ২০২৬, ৯:৫৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ২৬, ২০২৫, ১০:২৬ পি.এম
বহুল আলোচিত রাজবাড়ীর পাটকাঠি
![]()
অর্থকারী পণ্য হয়ে উঠেছে একসময়ের ফেলাফেলার পাটকাঠি। পানের বরজ,পার্টিকেল বোর্ড ও চারকোল কারখানায় পাটকাঠির ব্যাপক চাহিদা। বর্তমানে চারকোল ও পাটকাঠির ছাই রপ্তানি হচ্ছে। মূলত গত এক দশক ধরেই এই জ্বালানি ও বস্তুটি বাজার বেড়েছে। শুধু তাই নয় দেশে উদয়মান রপ্তানি পণ্য হিসেবে শিল্পের মর্যাদাও পাচ্ছে পাটকাঠির ছাই।
কৃষকরা বলছে, বাজারে পাট বিক্রি করে কোন রকম উৎপাদন খরচে ওঠে কিন্তু পাটকাঠির বিক্রয় পুরোটাই লাভ। অনেকেই পাটকাঠির ব্যবসায়ী হিসেবে নিয়েছে। এতে সৃষ্টি হয়েছে রাজবাড়ীতে নতুন কর্মসংস্থান। তাছাড়া ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পাট ও পাটকাঠির শিল্প
রাজবাড়ীর খানখানাপুরের পাট চাষী কালাম মিয়া জানান, পাটকাঠি একসময় গ্রাম অঞ্চলে এলোমেলো ভাবে পড়ে থাকত। পাটের উপজাত এই পাট খড়ি বা পাট কাঠি গ্রামে গৃহিনীদের কাছে বেশ কদর ছিল। যেমন কদর ছিল বাঁশ, ধানের তুষ কিংবা কাঠ খড়ি। সময়ের পরিক্রমায় বেড়েছে এর বহুমুখী ব্যবহার। পাটখড়ির কদর বেড়েছে বহুগুণ।চওড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাটকাঠি।
২৬ জুলাই শনিবার দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই পাটকাঠি সোনালী আঁশ পাটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চমক সৃষ্টি করেছে। কারণ এই পাট খড়ি বিশেষ এক চুল্লিতে পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কার্বন ও চারকোল। অবিশ্বাস্য হলে এটাই সত্যি এই কার্বন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। কার্বন বা চারকোল এর পাউডার কিনে নিচ্ছে চীন সহ কয়েকটি দেশ। তারা এই পাট খড়ির কার্বন থেকে কার্বন পেপার, কম্পিউটার ও ফটোকপির কালি, আতশবাজি, ফেসওয়াশ এর উপকরণ, প্রসাধনী পণ্য মোবাইল ব্যাটারি, দাঁত মাজার ওষুধ, ক্ষেতের সারসহ অনেক পণ্য তৈরি করছে।
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় দুইটি চারকোল ফ্যাক্টরি রয়েছে। কৃষকদের কাছ থেকে তারা উচ্চ মূল্যে এই পাটকাঠি সংগ্রহ করছে। এতে করে রাজবাড়ী অঞ্চলের কৃষকদের পাট চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত