

ভারতের প্রতিশোধমূলক হামলা
৬ মে ভোররাতে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে একাধিক লক্ষ্যে মিসাইল হামলা চালানো হয়। ভারত এই অভিযানের নাম দিয়েছে “অপারেশন সিন্ধুর”, যার মূল লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মোহাম্মদের ঘাঁটিগুলো।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই হামলা ছিল অত্যন্ত নির্ভুল, সীমিত এবং আত্মরক্ষামূলক, যাতে পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনায় কোনো আঘাত হানা হয়নি।পটভূমি: ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন ভারতীয় ও নেপালি পর্যটক নিহত হন। এরই প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার দাবি করেছে, ভারতীয় হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। মুজাফফরাবাদ ও বাহাওয়ালপুরে মসজিদসহ একাধিক ধর্মীয় স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে:
“এই হামলা শুধুমাত্র আমাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন নয়, এটি একটি সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা।”
পাকিস্তান আরও দাবি করে, তারা ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যদিও ভারত এ দাবি নিশ্চিত করেনি।
ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তে গুলিবিনিময়ে দুই পক্ষেই হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
পাকিস্তান ৪৮ ঘণ্টার জন্য আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
করাচি ও লাহোরে সমস্ত ফ্লাইট সাময়িক বাতিল করা হয়েছে।
বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে:
জাতিসংঘ: “এই সংঘাত পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে।”
যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্কসহ বহু দেশ শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার ইউরোপ সফর বাতিল করে নিরাপত্তা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন, এবং পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন।
এই সংকট দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যতের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরু না হলেও পরিস্থিতি চরম উত্তেজনাপূর্ণ, এবং এখন প্রয়োজন ঠাণ্ডা মাথায় কূটনৈতিক উদ্যোগ। পরমাণু শক্তিধর দুই দেশের এই দ্বন্দ্ব আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য একটি স্পষ্ট হুমকি।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত