পিরোজপুর অফিস ও মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত দেখিয়ে তাঁর পরিবার সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওই মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর তারিখ ও তাঁর ছেলে শহিদুল ইসলাম বাবুলের জন্মতারিখের মধ্যে অসঙ্গতি থাকার দাবি করে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. আ. কুদ্দুস মৃধা। অভিযোগে বলা হয়, মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বকসির ঘটিচোরা এলাকার মৃত আবদুল আজিজ সিকদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর গেজেট নম্বর ১০৫০ এবং মুক্তিবার্তা লাল বই নম্বর ০৬৫০৬০২০৭।
অভিযোগকারীর দাবি, ১৯৯৬ সালে করা এক তদন্তে আবদুল আজিজ সিকদার ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে ‘শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে অতিরিক্ত সরকারি সুবিধা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, শহিদুল ইসলাম বাবুলের এসএসসি সনদে জন্মতারিখ ১৯৮০ সালের ৫ জানুয়ারি উল্লেখ রয়েছে। বাবার মৃত্যুর তারিখ ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর হওয়ায় বিষয়টি সরকারি নথিপত্র যাচাই করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, জায়গাজমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কুদ্দুস মৃধা তাঁদের পরিবারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, কুদ্দুস মৃধা তাঁর পরিবারের সম্মানহানির চেষ্টা করছেন। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আতাউর রাব্বী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান কার্যালয়: ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, পল্টন মডেল থানা, ঢাকা-১০০০।
হটলাইন: 09643-230220, মুঠোফোন: 01915-708187, মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@Copyright & reserved by NAGORIK BHABNA