
প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ৯:০৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ৮, ২০২৬, ৫:৩৭ পি.এম
যে কারণে রাত ন’টা পর্যন্ত দোকানপাট শপিংমল খোলা রাখা উচিত

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: একদিকে যেমন মধ্যপ্রাচ্যেয় বিরতিহীন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বব্যাপী এক অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে বৈশ্বিক ব্যবসায়ী ক্ষতির মধ্য ঠেলে দিচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম খুচরা বিক্রয়ের কেন্দ্রস্থল মার্কেট শপিংমল দোকানপাট সন্ধ্যা লাগার সাথে সাথে বন্ধ করে দেয়ার কারণে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিক্রি হ্রাস পেয়েছে, মূল কারণ হিসেবে ভুক্তভোগী মহল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের জানিয়েছেন সকাল থেকে ১২ পর্যন্ত মার্কেটে ক্রেতাদের উপস্থিতির সংখ্যা একেবারে শূন্যের কোঠায় থাকে বিধায় এই সময়টা দোকান মার্কেট শপিংমল বন্ধ রাখলে ব্যবসায়িকভাবে কোন ক্ষতি হয় না, কারণ বিকালের দিকে গরমের উত্তাপ কম থাকে সংসারী কাজ সেরে মহিলা এবং পুরুষরা অফিস শেষে এই সময়টুকুর মধ্যে অনায়াসে কেনাকাটা করতে পারে ফলে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের উচিত সরকারের প্রতি বিষয়টি বিবেচনায় আনা আর এই বিবেচনার উপর ভিত্তি করে যদি সরকার বেলা একটা থেকে রাত্র নয় টা পর্যন্ত দোকান মার্কেট শপিংমল খোলার সুযোগ করে দেয় তাহলে ব্যবসায়ীরা বড় একটা লোকসানের হাত থেকে পরিত্রাণ পাবে।
এদিকে সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনায় রেখে ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট নিরসনে দোকানপাট শপিং মল খোলা রাখার বিষয়ে পূর্ণ বিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি , তারা বলেছেন সন্ধ্যা সাতটায় দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে খুচরা বিক্রিতে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যাওয়ায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সে লক্ষ্যে অর্থনৈতিক চাকার সচল রাখতে সারা দেশব্যাপী বেলা একটা থেকে রাত্র আটটা বা ৯ টা পর্যন্ত দোকানপাট শপিং মল খোলা রাখার বন্দোবস্ত করে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পরিত্রাণ দিতে।
এদিকে সারা বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মহলের নেতারা জানিয়েছেন মাত্র কয়েকদিন দেশজুড়ে সন্ধ্যা সাতটায় দোকান মার্কেট শপিংমল বন্ধ হওয়ার কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অনেকটাই লোকসানের মুখে পড়েছে,
কারণ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে এক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধে তাদের বিঘ্ন ঘটছে পাশাপাশি দোকানের কর্মচারী দোকান ভাড়া ও অন্যান্য সামগ্রিক খরচ ওঠাতে ও হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সবকিছু মিলে সরকারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা বিকল্প পথ হিসেবে দোকানপাট বিপানি বিতান দুই থেকে তিন ঘন্টা বিরতি দিয়ে একটা সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সরকারি রাজস্ব ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব সর্বনিম্ন পর্যায় রাখা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত