
প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ৩:২৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৩, ২০২৫, ৫:৪৭ পি.এম
রাজবাড়ীতে প্রচন্ড গরমে মাঠে ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক

গেল কয়েকদিনে রাজবাড়ী তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রির ঘরে। গরমে নাকাল মানুষ, প্রকৃতি ও পশু-পাখি। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে বোরো ধান কাটার শ্রমিকেরা। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে তাদের ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় শ্রমিকের অভাবে ধান কর্তন ব্যাহত হচ্ছে।
রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরোদমে বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ধানের ফলন মোটামুটি ভালো হওয়ায় কৃষকরা কিছুটা খুশি হলেও কর্তন শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে।
কর্তন ও মাড়াইয়ের জন্য রাজবাড়ী জেলায় চুক্তিভিত্তিক দৈনিক হারে ৪ থেকে ৫ শত টাকা ছিল। তবে কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরমের কারণে শ্রমিকেরা ভালোভাবে কাজ করতে পারছেন না। এতে শ্রমিকের এখন বেশি টাকা দিতে হচ্ছে । বর্তমানে একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এতে কৃষকদের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। অনেক এলাকায় এখনো শ্রমিকের অভাবে ধান কর্তন করা যাচ্ছে না।
কথা হয় রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাচুরিয়া ইউনিয়নের কৃষক মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, "বর্তমানে এই রোদে মাঠে গিয়ে কাজ করাটা অনেকটাই কঠিন। ঘামে গা ভিজে যায়, মাথা গরম হয়ে যায়, সূর্যের তাপ সহ্য করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে গরমের কারণে ধান কর্তন শ্রমিকেরা টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।"
কৃষক আলমগীর বলেন, এমনিতেই এবার ধানের দাম কম, তার ওপর শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। শ্রমিকের অভাবে ধান মাঠে পড়ে আছে।
ধান কাটার শ্রমিক শাজাহান ও রফিকুল জানান, প্রচন্ড এই গরমে ধান কেটে এসে রোদের তাপে মাঠে পড়ে গেছিলাম। আমার পাশে থাকা সহকর্মী আমাকে নিয়ে মাথায় পানি দিয়ে কোনরকম ঠান্ডা করেছে। এত সরকার এলো গেল কৃষকের উন্নয়ন হলো না। আমরা ধান কাটার শ্রমিক আমাদের ভাত আনতে পান্তা ফুরায়। কি করে বেঁচে থাকবো। এমনিতে আধুনিক মেশিনে এসেছে অনেকে কাজে আমাদের নেয় না। আবার শরীরে বয়সের ভার। জীবন চলার নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত