
প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১০, ২০২৬, ৪:১৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ৫:০০ পি.এম
রাজবাড়ীতে শীতের শুরুতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ তোসকের কারিগর

দক্ষিণ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে কয়েক দিন ধরে। আর শীত এলেই ব্যস্ততা বেড়ে যায় লেপ-তোশক তৈরির কারিগরদের।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের নির্দিষ্ট জায়গাগুলোতে চলছে তুলা ধুনন, কাপড় কাটা, সেলাই ও পুরোনো লেপ–তোশক নবায়নের কাজ। বিক্রি ও অর্ডার দুই দিকেই এখনকার সময়টা তাদের জন্য সবচেয়ে ব্যস্ত।
কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর নভেম্বর থেকেই লেপ–তোশকের বাজার চাঙা হয়ে ওঠে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত চলে মৌসুমি বেচাকেনা। সে ধারাবাহিকতায় এ বছরও বাজারে ক্রেতার ভিড় বেড়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সরেজমিন খানখানাপুর বাজার ও আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেউ দোকানে বসে আবার কেউ গ্রামে গ্রামে ঘুরে লেপ–তোশক বানাচ্ছেন বা পুরোনো লেপে নতুন তুলা মিশিয়ে নবায়নের কাজ করছেন। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তুলা পরিষ্কার, ধুনন, কাপড় কাটা ও সেলাইয়ের কাজও বেড়েছে।
খানখানাপুর মুরগী বাজার এলাকায় কথা হয় কারিগর সুমন সরদার (৩৫) সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে এই কাজ করছি। এখন শীতের শুরু, তাই কাজের চাপ একটু বেশি। লেপের কাপড় গজে ৫০–৭০ টাকা, তোষকের কাপড় ৬০–১৩০ টাকা। গার্মেন্টসের তুলা ৬০–১৭০ টাকা কেজি, শিমুলের মুল তুলা ৪৫০ টাকা কেজি। লেপ তৈরির মজুরি ৩০০–৪০০ টাকা, তোষক ২৫০–৩০০ টাকা।’
বাজার এলাকার কারিগর শফিকুল ইসলাম (৪৮) বলেন, ‘এখন তুলার দাম অনেক বেড়েছে। লেপ–তোশক বানানোর উপকরণের দাম বাড়ায় আগের মতো লাভ থাকে না। ইনভেস্ট বেশি, লাভ কম।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত