
প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৯, ২০২৬, ১০:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১, ২০২৫, ৬:৩৯ পি.এম
জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বিভিন্ন হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম বিভিন্ন পশুর হাটগুলো। ক্রেতাদের পাশাপাশি ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীরা। এবারও বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদাই বেশি।
তবে দেখা যাচ্ছে গরুর হাটে ইচ্ছেমতো হাসিল আদায় করা হচ্ছে। রবিবার কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর আনন্দ বাজার গরুর হাটে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে আনন্দ বাজার গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর হয়ে উঠেছে হাট। বড় গরুর চাইতে মাঝারি গরুর চাহিদা অনেক বেশি।
তবে হাটে প্রতিটি ছাগলের খাজনা বাবদ বিক্রেতা ও ক্রেতা কাছ থেকে ২৫০-২৫০টাকা হাসিল আদায়। যা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের মূল্য অনুসারে ১১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২২-৫৫ টাকা।
অন্যদিকে ইজারাদাররা গরুর খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করছে। যা সরকারি তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে গরুর মূল্য অনুসারে ৩৩০-৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৬০-১২০ টাকা।
হাটে আসা একজন গরু বিক্রেতা রফিক বলেন, আমার কাছে ৫০০ টাকা নিয়েছে। বিক্রেতাদের কাছ থেকে এত টাকা নেওয়া যুক্তিসঙ্গত না। হাটে প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই দেখে এভাবে ইজারাদাররা সবার কাছে বেশি টাকা নিচ্ছেন।
এদিকে এ হাটের ইজারা নেওয়া হয়েছে ২লক্ষ ৫১হাজার টাকা, যা বিগত সালে ছিলো ৫০-৬০ হাজার টাকায়।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন,তাদের বলা হয়েছে বিগতসালে যত করে খাজনা ছিলো সে হিসেবে নিতে। গরুর প্রতি ১ হাজার ও ছাগলে প্রতি ৫শ'ত টাকা খাজনা নেওয়ার প্রশ্ন করলে মাঈদুল ইসলাম বলেন, হায় হায় কি বলেন আমি তো জানি না, আমি এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত