
প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৮, ২০২৬, ৩:০৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫, ৮:১০ পি.এম
রহীমুদ্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও

পল্লীকবি জসীমউদদীনের কবিতার এই আসমানী কোনো কল্পনা ছিল না। আসমানী অতিসাধারণ এক মেয়ের নাম। পল্লীকবি জসীমউদদীনের আসমানী কবিতার সেই আসমানী বসবাস ছিল রসুলপুরে।
কবি জসীমউদদীনের বাড়ি ছিল ফরিদপুর থেকে বেশ কিছুটা দূরে রসুলপুর গ্রামে। সেখানে তাদের জমি ছিল। সেখানে হলুদ ক্ষেত করা হতো। কবি প্রায় সময় রসুলপুর গ্রামে আসতেন। আপন মনে ঘুরে বেড়াতেন। পাশেই ছিল রহীমুদ্দীর বাড়ি। তিনি ছিলেন একজন ভাবুক লোক। রহীমুদ্দীর মাজার রসুলপুরে এখনো রয়েছে। জীবিত অবস্থায় তার খেদমতে ছিলেন আসমানী। জসীমউদদীন এ বাড়িতে গিয়ে প্রায় সময়ই বসতেন। চঞ্চলা আসমানীর বয়স তখন মাত্র নয় বছর। কবির সামনে দিয়ে খুব ছোটাছুটি করতেন। কবি বৃষ্টির মধ্যে একদিন আসমানীদের ঘরে বারান্দায় বসে আছেন। ওই বারান্দায় বসেই লিখলেন আসমানী কবিতা।
কবির লেখা সেই কবিতার বিষয়বস্তুর সঙ্গে এখনো সেই মিল রয়েই গেছে আসমানীর। প্রথমে বাল্যবিয়ে ও পরে একাধিক বিয়ের পর তার এখন আট মেয়ে ও চার ছেলে।
দীর্ঘদিন হৃদরোগ আর কিডনি জটিলতায় ভুগে ৮০ বছর বয়সে মারা যান পল্লীকবি জসীম উদদীনের ‘আসমানী’ কবিতার বাস্তব চরিত্র আসমানী বেগম। বর্তমানে তার পরিবারের যারা বেঁচে আছেন অর্থাৎ তার মেয়েরা খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। দারিদ্রতার মধ্যে আছে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত