
নিজস্ব প্রতিনিধি: সারা দেশে তীব্র শীতের কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমেছে মৌসুমের সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া উল্লেখযোগ্য। এসব অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, বর্তমানে দেশের কিছু এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। চলতি সপ্তাহে শীতের তীব্রতা বজায় থাকলেও ১০ জানুয়ারির পর ধীরে ধীরে তা কমতে পারে।
আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বিশেষ করে বুধবার ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার ফলে এই দিন শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং শনিবার তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে, ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং ২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত