
প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ৩১, ২০২৬, ২:৫২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ১৭, ২০২৬, ৭:০১ পি.এম
সেই আসন প্রত্যাশায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু!

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো: খুলনা জেলার ছয়টি আসনের মধ্য গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচনা করা হয় খুলনা সদর ২ আসন কে, কারণ দেশের ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিম লীগের প্রার্থী খানএ সবুরের সাথে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিল আর তখন থেকেই আসনটি মুসলিম লীগের পরবর্তীতে বিএনপি'র ভোট দুর্গ হিসেবে গণনা করা হয়
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬ টি নির্বাচনী আসনের মধ্য অন্যতম সংসদীয় ১০০ তম অর্থাৎ জেলা সদরের ২ নং আসনটিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচনার পর্যালোচনায় থাকে। আরো উল্লেখ রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রহসন মূলকভাবে নির্বাচন করে অবৈধভাবে এই আসনটি কব্জা করলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ প্রার্থী হিসেবে পরিচিত।
তবে এই আসনটি খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে যে কোন রাজনৈতিক দলের দলীয় সমীকরণ এই আসন থেকে নির্ধারণ করা হয়, আর এই আসনের ভোটার সংখ্যা মোট ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৯৯৫ জন তারমধ্য পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯২২ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৩ জন এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫৭ টি। প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তিন দলের তিনজন তার মধ্য বিএনপি'র মহানগরের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু , তানার সাথে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জামায়েত ইসলামের অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল তিনি মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ,এরপর যিনি রয়েছেন তিনি এন সিপির যুগ্ন সদস্য সচিব ফরিদুল হক।
তবে এখানকার ভোটারদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থী দলীয় ম্যান্ডেট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটযুদ্ধে লড়াই করতে মাঠে নেমেছেন। অপরদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে জামাত ইসলামের দাঁড়িপাল্লার প্রতীক নিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন হেলালও রয়েছে শক্ত অবস্থানে তিনিও খুলনার একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন।
সাংগঠনিকভাবে এই দুই দলের দুই প্রার্থী নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এগিয়ে থাকলেও এনসিপির প্রার্থীকে জোরালো কোন অবস্থানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
এদিকে নির্বাচন পর্যালোচনায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে খুলনার সহ বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোটারদের উপস্থিতিতে এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে খুলনা নির্বাচনী রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এ ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছে।
তবে একই সাথে তিনি আরো বলেছেন জামাত ইসলামের যিনি প্রার্থী রয়েছেন তিনিও মোটামুটি মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সমীকরণ থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তবে এই আসনের ভোটারদের ভাষ্যমতে বোঝা যায় এখানে বিএনপি'র অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন অন্তরকন্দল না থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে থেকে শুরু করে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সকল ঊর্ধ্বতন নেতাকর্মীরা দল ও জাতির স্বার্থে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কাজ করে যাচ্ছে যা নজরুল ইসলাম মঞ্জু নির্বাচনের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য পথ প্রশস্ত বলে মনে করছেন। তাছাড়া আরো উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যেতে পারে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ আমলে দুর্নীতি ছাড়া স্বচ্ছ উপায় কখনো তারা বিজয় অর্জন করতে পারেনি।
ইতিহাস সাক্ষী দেয় শেখ মুজিবুর রহমান নিজে নির্বাচন করেও এই আসন থেকে মুসলিম লীগের খানএ সবুরকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়নি সে লক্ষ্যে এক কথায় বলা যেতে পারে স্বাধীনতার পর থেকেই এই আসনটি মুসলিম লীগ অবশেষে বিএনপি'র রিজার্ভ ভোট ব্যাংক বলা যেতে পারে। এদিকে নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেও নির্বাচন কমিশনারের বিধি নিষেধের কারণে নগরজুড়ে পোস্টার ফেস্টুন ব্যানার না দেখা গেলেও আলোচনার ঝড় বইছে মার্কেট শপিংমল থেকে শুরু করে চায়ের টেবিল পর্যন্ত। ভোট আগমনীতে উৎসব আয়োজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে নগরজুড়ে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত