স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন শ্রমিকদল অর্থ সম্পাদক ইউনুস মিয়ার বাড়িতে বৃহস্পতিবার বিকালে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটপাটের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে হামলাকারীরা একই বাড়ির আব্দুল মজিদ, মনজুমা বেগম ও শেফালি বেগমের ঘরেও হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
ভুক্তভোগী ইউনিয়ন শ্রমিকদল অর্থ সম্পাদক ইউনুস মিয়া বলেন, গত বুধবার ইফতারের পর এলাকায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল বের হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার শ্রমিকদলের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিবাদ মিছিল করি। এর জের ধরে আমাদের বাড়িতে আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী, খোরশেদ আলম, সোহাগ বেপারী, রফিকুল ইসলাম, শাহীন আলম, একরামুল হক, শাহরিয়া, খলিলুর রহমান ও মিলনসহ ৭০-৮০ জন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয় ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
তবে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী বলেন, ইউনুস মিয়া আমার বড় ভাই। উনার সাথে দীর্ঘ সময় ধরে জমি সংক্রান্ত মামলাও বিরোধ চলে আসছে। বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের ইফতার মাহফিল কে কেন্দ্র করে প্রথমে তারা আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে আমরা পরে প্রতিরোধ করেছি। আমি বা আমার ছেলেরা যদি কেউ ঐদিন ইফতার মাহফিলে ছিল ভিডিও ফুটেজ দেখাতে পারে দেশবাসী যে শাস্তি দিবে তা মেনে নিব। এটি রাজনৈতিক কোন বিষয় নয় সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাবো সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে যেন সঠিক বিচার করা হয়।
বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দল সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বুধবার ইফতারের পর মিছিল করার প্রতিবাদে আমরা বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ মিছিল করি। মিছিলের পর সন্ধ্যায় জানতে পারি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ৭০-৮০ জন আওয়ামী সন্ত্রাসী আমার নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমার দল এবং এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও প্রশাসনের নিকট সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার দাবি করছি।
নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলমান আছে।