
প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১১, ২০২৬, ৬:২৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১১, ২০২৬, ৪:১৫ পি.এম
পানের হাটকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

মজনু মিয়া,গাইবান্ধা: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌসভার ছোট শিমুলতলা পানের হাটের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি।
১১ জুন বৃহস্পতিবার সকালে দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থান, ভাঙচুর, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, স্লোগান এবং বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতি শুধু একটি হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ নয়, বরং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই বিরোধের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ সবসময় এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও ভয়ের মধ্যে বসবাস করছেন। ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিকসহ হাটনির্ভর অসংখ্য মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বারবার ব্যাহত হচ্ছে। একটি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বাজারকে কেন্দ্র করে এমন অস্থিরতা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, প্রশাসনের সক্রিয় উদ্যোগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং হাট পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী ও টেকসই সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। আইনের শাসন ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
অন্যথায় যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বড় ধরনের সংঘর্ষ বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় এড়ানোর সুযোগ কারও থাকবে না। তখন হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী উভয় পক্ষকেই শুধু আইনগত নয়, সামাজিক ও নৈতিকভাবেও বড় মূল্য দিতে হবে, যা আজীবনের অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অতএব, স্পর্শকাতর এই বিষয়টিকে অবহেলা না করে দায়িত্বশীল সকল পক্ষের উচিত দ্রুত সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। কারণ সংঘাত কখনো উন্নয়নের পথ দেখায় না, বরং সমঝোতাই সমাজে স্থিতিশীলতা ও সম্প্রীতির ভিত্তি রচনা করে।
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত