
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা: গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতু প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে| গত শুক্রবার থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারনে প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেয়| গত বছর উক্ত বাধের প্রায় ১০০ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হলেও এবছর গত দুই দিনে বাঁধের প্রায় ৫০ ফুট অংশ ধ্বসে গেছে|
স্থানীয় লোকজন বলেন, গত ৩/৪ বছর আগে থেকে প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন শুরু হয়| কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে|
ইতিমধ্যে বাঁধের ২৫০ ফুট অংশ ভেঙ্গে গেছে| ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং এলজিইডি এই দপ্তরের মধ্যে রসি টানাটানির কারনে এতদিনে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা যায়নি| এ অবস্থায় গত বছর এলজিইডি ভাঙ্গন রোধে ২’শ ফুট উজানে ১৪ লক্ষ টাকা বাঁশের পাইলিং দিলেও গত দুই দিনে পানির স্রোতে বাঁশের পাইলিং ভেঙ্গে যায়| ফলে পানি তীব্র বেগে এসে তিস্তা প্রতিরক্ষা বাঁধে আঘাত করে| এতে বাঁধের প্রায় ৫০ ফুট এলাকা ধ্বসে গেছে| স্থানীয় লোকজন বলছেন, এই অবস্থায় বাঁধের ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নিলে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে এসে ভাঙ্গন ঠেকবে তিস্তা সেতুতে|
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, বহুদিন থেকে ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করার পরও কোন কাজ হয়নি| পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেছিল যেহেতু তিস্তা সেতুসহ সড়ক এলজিইডি করেছে| সেহেতু বাঁধের ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা তারাই করবে| তিনি আরো বলেন, অবশেষে এলজিইডি ভাঙ্গন রোধে উজানে বাঁশের পাইলিং দেয়| কিন্তু তীব্র পানি স্রোতে বাঁশের পাইলিং ভেঙ্গে যাওয়ায় পানি এসে আঘাত করছে তিস্তা প্রতিরক্ষা বাঁধে|
প্রতিবছর এলজিইডি‘র লোকজন নদীভাঙ্গন এর সময় তরিঘরি করে ব্যবস্থা গ্রহন করলেও আগেথেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন না| গত দুই দিনে প্রায় ৫০ ফুট অংশ ধ্বসে গেছে| সরকারের ১৪ লক্ষ টাকা গচ্ছা গেল|
রংপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) এর নির্বহিী প্রকৌশলী মোঃ মুসা বলেন, বিষয়টি লিখিতভাবে ঢাকায় জানানো হয়েছে| সেখানে একটি কমিটি গঠন হয়েছে| তারা সরেজমিনে দেখতে আসবে| পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে|
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’র অনলাইন পোর্টালটি ঢাকা হতে শেখ রিফান আহমেদ-এর সম্পাদনায় পরিচালিত।
হটলাইন: 09649-230220 ও 01915-708187, ইমেইল: info.nagorikvabna@gmail.com
@নাগরিক ভাবনা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত