উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ॥ দলীয় পদ স্থগিত ও তদন্ত কমিটি গঠন
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য,সাবেক মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক এম,ইদ্রিস আলীর (৫৩) অনৈতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন কুকর্মের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ভাইলার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়,একটি বাড়ীর পাকা ঘরে এম,ইদ্রীস আলী একজন সুন্দরী মহিলার সাথে রয়েছেন এবং এলাকার স্হানীয় কয়েকজন যুবক সেই বাড়িতে গিয়ে তাকে হাতে নাতে ধরে পেলে।
মহিলার পরিবার ও মা, ভাইকে বল্লে উনারা নানা আত্মীয় ও এক পর্যায়ে নিজের মেয়ের জামাই দাবি করেন।
ইদ্রিস আলীকে প্রশ্ন করলে?
ওই মহিলাকে নাকি তিনি বিবাহ করেছেন কিন্তু স্হানীয় এলাকাবাসী কাবিননামা আছে কী না জানতে চাইলে বলতে চাইলে, ইদ্রিস আলী নানান তাল বাহানা দেখিয়ে যান।
এক পর্যায়ে ইদ্রিস আলী এলাকাবাসীর কিছু যুবক দের সাথে ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায় এবং ভিডিও না করতে তাদেরকে কাকুতিমিনতি করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত একটার দিকে উপজেলার শংকরসেনা এলাকার মৃত পাকি মিয়ার বিধবা মেয়ে নাসরিন (৩৫) এর ঘরে প্রবেশ করেন ইদ্রিস আলী।
রাত তিনটার দিকে এলাকাবাসী মিলে ইদ্রীস আলীকে ওই মহিলার রুম থেকে মহিলা সহ একই কম্বলের ভেতর থেকে টেনে উলঙ্গ অবস্থায় বের করে আনেন। রাতে পুলিশকে খবর দেয়া হলে এসআই সজীবের নেতৃত্ব একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান।
এ ব্যাপারে এসআই সজীব জানান,রাতে ওই বাড়ীতে প্রচুর লোকজন ছিল,আমি মেয়েকে জিজ্ঞাসা করি তার কোন অভিযোগ আছে কিনা কিন্তু ওই মহিলা ইদ্রীস আলীর বিবাহীত স্ত্রী বলে জানান।
কিন্তু এর পক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নাই বলে এসআই সজীব জানান।
এদিকে ইদ্রীস আলীর প্রথম স্ত্রী হেলেনা বেগম জানান,তার স্বামী যে নতুন বিবাহ করেছে এ ব্যাপারে তিনি কোন কিছুই জানেন না বলে জানান।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন বলেন,ব্যক্তির চেয়ে দল বড়,কেউ অন্যায় করলে এর দায় দল নিবেনা।মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র জরুরী সভা আহ্বান করা হয়েছে। সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে,”বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য” ইদ্রিস আলীকে” দলীয় পদ স্থগিত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
(বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন নাগরিক ভাবনায়। আজ থাকছে পর্ব ০১)
