ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক ‘নাগরিক ভাবনা’য় প্রাতিষ্ঠানিক কাজের জন্য কিছু কর্মী প্রয়োজন। বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক পেইজ ভিজিট করুন, ধন্যবাদ।

নওগাঁয় নতুন দেশি আলুর কেজি ৮০০ টাকা

নওগাঁ জেলা শহরের গোশতহাটি মোড় সংলগ্ন কাঁচা বাজারে নতুন দেশি আলুর দাম যেন ছুঁয়েছে হু-হু করে আকাশ। নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (১৮ই নভেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি নতুন দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য ৮০০ টাকা দরে। বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, মৌসুমের একেবারে শুরু হওয়ায় নতুন আলুর সরবরাহ অত্যন্ত কম। এই সুযোগটিকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিমুনাফার লোভে আমদানিকৃত অল্প পরিমাণ দেশি নতুন আলু মিলিয়ে চড়া দামে বিক্রি করছে। বাজারে যেমন আলুর সরবরাহ কম, তেমনি ক্রেতাদের চাহিদা বেশি—ফলে গুনতে হচ্ছে বাড়তি দাম। নবান্ন উপলক্ষে নতুন ধানের চাল দিয়ে অতিথি আপ্যায়নের পাশাপাশি নতুন সবজির ব্যবহার এখন একধরনের ঐতিহ্য। এ কারণে ক্রেতারা যতটুকু পারছে ততটুকুই কিনে নিচ্ছে। কেউ ৫০ গ্রাম আলু কিনছে ৪০ টাকায়, কেউ ১০০ গ্রাম, কেউবা ২৫০ বা ৫০০ গ্রাম—যার যেমন সামর্থ্য, সে ততটুকুই সংগ্রহ করছে। বাজারের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অনেক ক্রেতাই অসহায়ভাবে অভিযোগ করেন—“এভাবে দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের নবান্নের আনন্দ কই?” নওগাঁ কাঁচা বাজারের কয়েকজন সচেতন ক্রেতা জানান, ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অতিমুনাফা রোধে বাজার মনিটরিং আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। “বছরের পর বছর একই চিত্র। বাজারে দেখভাল করার মতো তদারকি ব্যবস্থা নেই বলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ পায়”—বলছেন এক বৃদ্ধ ক্রেতা। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাছে ক্রেতাদের দাবি—বাজারে হঠাৎ করে আলুসহ সবজির এমন অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি অবিলম্বে তদন্ত করে দোষী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নয়তো নবান্নের মতো আনন্দঘন উৎসবও মানুষের জন্য হয়ে উঠবে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ। নওগাঁবাসী আশা করছে, প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপেই নিয়ন্ত্রণে আসবে আলুসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম, আর স্বস্তি ফিরবে সাধারণ মানুষের বাজারে। – তথ্য ও ভিডিও চিত্র সংগ্রহে মিলন চন্দ্র দেবনাথ, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক নাগরিক ভাবনা