ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ইসলামপুরে কোদালধোঁয়া নদী ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

হাফিজ লিটন, ইসলামপুর (জামালপুর):
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৪৭ বার পঠিত

ইসলামপুরে কোদালধোঁয়া নদী ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

হাফিজ লিটন, ইসলামপুর (জামালপুর):
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৪ নম্বর সাপধরী ইউনিয়নের কোদালধোঁয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে কটাপুর বাজার সংলগ্ন কোদালধোঁয়া ঘাট এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন কটাপুর, কোদালধোঁয়া, রাজাপুর, রায়েরপাড়া ও জিগাতলা এলাকার শত শত ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,
সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর বাজার থেকে আইড়মারী পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জুড়ে যমুনা নদীর দক্ষিণ পয়েন্টে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে আরও ৫টি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন:

“যদি দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে কটাপুর, কোদালধোঁয়া, দক্ষিণ কোদালধোঁয়া, আইড়মারী, জিগাতলা ও ভাঙবাড়ী গ্রামের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২টি ঈদগাহ মাঠ, ব্রিজ-কালভার্ট এবং অন্তত ২০ হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা চরম সংকটে পড়বে।”

স্থানীয় শিক্ষক মাসুদ মাস্টার, বকুল খান, শহিদ মন্ডল, হামিদুল ইসলামসহ অন্যান্য বক্তারা নদীভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙন প্রতিরোধমূলক প্রকল্প গ্রহণ না করলে মানবিক বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

ইসলামপুরে কোদালধোঁয়া নদী ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

ইসলামপুরে কোদালধোঁয়া নদী ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

হাফিজ লিটন, ইসলামপুর (জামালপুর):
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৪ নম্বর সাপধরী ইউনিয়নের কোদালধোঁয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে কটাপুর বাজার সংলগ্ন কোদালধোঁয়া ঘাট এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন কটাপুর, কোদালধোঁয়া, রাজাপুর, রায়েরপাড়া ও জিগাতলা এলাকার শত শত ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,
সাপধরী ইউনিয়নের কটাপুর বাজার থেকে আইড়মারী পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জুড়ে যমুনা নদীর দক্ষিণ পয়েন্টে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে আরও ৫টি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন:

“যদি দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে কটাপুর, কোদালধোঁয়া, দক্ষিণ কোদালধোঁয়া, আইড়মারী, জিগাতলা ও ভাঙবাড়ী গ্রামের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২টি ঈদগাহ মাঠ, ব্রিজ-কালভার্ট এবং অন্তত ২০ হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা চরম সংকটে পড়বে।”

স্থানীয় শিক্ষক মাসুদ মাস্টার, বকুল খান, শহিদ মন্ডল, হামিদুল ইসলামসহ অন্যান্য বক্তারা নদীভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙন প্রতিরোধমূলক প্রকল্প গ্রহণ না করলে মানবিক বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠবে।