ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

কটিয়াদীতে মরিচের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

নাঈম ইসলাম,  কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / ৫৯ বার পঠিত
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে মাঠে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলনের পাশাপাশি হাট-বাজারে পাইকারি দরে সরবরাহ করেও দাম পাচ্ছেন আশানুরূপ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কটিয়াদীতে এই বর্ষা মৌসুমে মরিচ ৯৫হেক্টর, মুখি কচু ২হেক্টর ও শসা ১০হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে, যেখানে উন্নত জাতের হাইব্রিড মরিচ সুপার চাষে ২০শতাংশ জমিতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করে ৩-৪লাখ টাকা আয় করার লক্ষ্য রয়েছে।
কটিয়াদী বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এখন কাঁচা মরিচ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৫০ টাকা কেজি দরে।
কটিয়াদী পৌর সদরের ৮নং ওয়ার্ড হালুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার ২০শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়,বর্তমান বাজার অনুযায়ী আমার ৩-৪ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আমি আশাবাদী।
কটিয়াদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পৌরসভা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: মঈনুল ইসলাম বলেন,হাইব্রিড মরিচ সুপার ফলন ধরা থেকে চার মাসের অধিক পর্যন্ত মরিচ ধরবে, যা প্রতি গাছে ৪-৫ কেজি মরিচ হবে।
কটিয়াদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকতা মো: শফিকুল ইসলাম ভূইয়া বলেন,কটিয়াদী উপজেলাধীন বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুমেও মরিচ,মুখি কচু ও শসা আবাদ করা হয়েছে। মুখি কচুর এখনো লতা হয়নি,মুখিকচুর তুলনায় মরিচ ও শসা ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় ফলনের পাশাপাশি আশানুরূপ দামও পাচ্ছে কৃষকরা। ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করেই ৩-৪লাখ টাকা আয় করবে বলে আমি আশাবাদী।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

কটিয়াদীতে মরিচের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে মাঠে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলনের পাশাপাশি হাট-বাজারে পাইকারি দরে সরবরাহ করেও দাম পাচ্ছেন আশানুরূপ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কটিয়াদীতে এই বর্ষা মৌসুমে মরিচ ৯৫হেক্টর, মুখি কচু ২হেক্টর ও শসা ১০হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে, যেখানে উন্নত জাতের হাইব্রিড মরিচ সুপার চাষে ২০শতাংশ জমিতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করে ৩-৪লাখ টাকা আয় করার লক্ষ্য রয়েছে।
কটিয়াদী বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এখন কাঁচা মরিচ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৫০ টাকা কেজি দরে।
কটিয়াদী পৌর সদরের ৮নং ওয়ার্ড হালুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার ২০শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়,বর্তমান বাজার অনুযায়ী আমার ৩-৪ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আমি আশাবাদী।
কটিয়াদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পৌরসভা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: মঈনুল ইসলাম বলেন,হাইব্রিড মরিচ সুপার ফলন ধরা থেকে চার মাসের অধিক পর্যন্ত মরিচ ধরবে, যা প্রতি গাছে ৪-৫ কেজি মরিচ হবে।
কটিয়াদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকতা মো: শফিকুল ইসলাম ভূইয়া বলেন,কটিয়াদী উপজেলাধীন বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুমেও মরিচ,মুখি কচু ও শসা আবাদ করা হয়েছে। মুখি কচুর এখনো লতা হয়নি,মুখিকচুর তুলনায় মরিচ ও শসা ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় ফলনের পাশাপাশি আশানুরূপ দামও পাচ্ছে কৃষকরা। ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করেই ৩-৪লাখ টাকা আয় করবে বলে আমি আশাবাদী।