ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
কটিয়াদী চলছে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলনের মহোৎসব, হুমকিতে বসত ভিটা ও ফসলী জমি

নাঈম ইসলাম,কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি,
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
- / ৬৭ বার পঠিত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসার পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তবে পরিবর্তন নেই একটি নদী বেষ্টিত এলাকায়। আগে যেমন ছিল এখনো তেমন আছে। বলছিলাম কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার কথা। এ উপজেলায় রাতের আঁধারে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে প্রায় সপ্তাহ জুড়ে একটি চক্রের বিরুদ্ধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নজরদারি নেই কটিয়াদী ও মনোহরদী উপজেলার প্রসাশনের। দিনের বেলায় ওই চক্রের ড্রেজারগুলো পার্শ্ববর্তী উপজেলা মনোহরদী,বেলাব ও পাকুন্দিয়ার বিভিন্ন স্থানে পার্কিং থাকে। দিন ঘনিয়ে রাত গভীর হলেই ড্রেজার যথাস্থানে বসিয়ে শুরু হয় পুনরায় বালু উত্তোলন। এমন অব্যাহত বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কা নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার।
এ বিষয়ে ৩জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী বালু খেকুদের বিরুদ্ধে নদীর পাড়ে দাড়িয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ করেন। প্রতিবাদে বন্ধের দাবি জানান প্রসাশনের কাছে। এলাকাবসীর বলেন, উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছে একটি চক্র। তারা প্রতিদিন রাত ১২টা থেকে রাত ৪টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করেন। এতে নদী ভাঙনের হুমকির মুখে পড়ছেন চরপুক্ষিয়া ও পূর্বচরের নদী বিস্তীর্ণ জনপদের বাসিন্দারা।
এই ব্যাপারে শফিকুল ইসলাম গোলাপ,মাসুদ মৃধা,স্বপন মৃধা,বোরহান মৃধা,জয়নাল উদ্দিন,তোতা মৃধাসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এদের প্রতিহত করা খুবই কঠিন। এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে কোনো লাভ নেই। এরা কিছুদিন পরপর ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় এসব অবৈধ ড্রেজার চালায়। আর মধ্যরাতে প্রতিবাদ করতে গেলেও থাকে প্রাণ হারানোর আশংকা । যার কারণে আমরা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছি না। তার চেয়ে ভালো নদী ভাঙনের অপেক্ষায় থাকা, আর ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া।
এ বিষয়ে পার্শ্ববরর্তী মনোহরদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম.এ মুহাইমিন আল জিহান বলেন, অবৈধভাবে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন করা দন্ডনীয় আপরাধ। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
এই বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খাঁন’কে কয়েক দফা ফোন দিলেও ফোন ধরেননি।
পরে কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাঈদুল ইসলাম বলেন,এভাবে বালু উত্তোলন করা সম্পূর্ণ অবৈধ।তাদের বিরুদ্ধে কঠুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রাও যেন সজাগ থাকে যাতে এরকম বালুর তুলার সরঞ্জাম দেখা মাত্রই প্রসাশনকে অবগত করেন।
আরও পড়ুন:














