ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
১৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় নির্মিত

টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল, পাঁচ বছরেও চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ সেবা

সোহাগ ইসলাম, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর):   পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু উদ্বোধনের পাঁচ বছর পার হলেও হাসপাতালটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। নামে ২০ শয্যা হাসপাতাল হলেও সেখানে একটি শয্যাও নেই। চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাসপাতালটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রধান ফটক খোলা থাকলেও দোতলা ভবনের কোথাও রোগীর উপস্থিতি নেই। অধিকাংশ কক্ষ ফাঁকা পড়ে রয়েছে এবং ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন। এক্স-রে, ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। হাসপাতালের একটি কক্ষে একজন নার্স সীমিত পরিসরে কয়েকজন রোগীকে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করছেন। তবে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদানের কোনো পরিবেশ সেখানে নেই।
দীর্ঘদিন অব্যবহারে হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। হাসপাতাল চত্বরে গবাদিপশু চরছে, আর ভবনের সিঁড়িতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ছাগলের মলমূত্র। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালের এমন বেহাল অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক, যাতে উপজেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

Share this news as a Photo Card

11 October 2026

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় কটিয়াদীর প্রবাসী ফয়সালের মৃত্যু

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

১৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় নির্মিত

টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল, পাঁচ বছরেও চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ সেবা

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সোহাগ ইসলাম, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর):   পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু উদ্বোধনের পাঁচ বছর পার হলেও হাসপাতালটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। নামে ২০ শয্যা হাসপাতাল হলেও সেখানে একটি শয্যাও নেই। চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাসপাতালটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রধান ফটক খোলা থাকলেও দোতলা ভবনের কোথাও রোগীর উপস্থিতি নেই। অধিকাংশ কক্ষ ফাঁকা পড়ে রয়েছে এবং ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন। এক্স-রে, ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। হাসপাতালের একটি কক্ষে একজন নার্স সীমিত পরিসরে কয়েকজন রোগীকে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করছেন। তবে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদানের কোনো পরিবেশ সেখানে নেই।
দীর্ঘদিন অব্যবহারে হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। হাসপাতাল চত্বরে গবাদিপশু চরছে, আর ভবনের সিঁড়িতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ছাগলের মলমূত্র। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালের এমন বেহাল অবস্থা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক, যাতে উপজেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

Share this news as a Photo Card