ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ডিজিটাল যুগেও রাজবাড়ীর খানখানাপুরের মানুষ কাঁদা মাটির রাস্তায় চলাচল, জনদুর্ভোগ চরমে

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / ৩৯ বার পঠিত
রাস্তার অভাবে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের
রাজবাড়ী সদর উপজেলা খানখানাপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া গ্রামে ৯ জুলাই বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় কয়েকটি রাস্তা দীর্ঘদিনেও কাজ না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বারবার রাস্তাটির কাজ করার জন্য দাবি তোলা হলেও এ পর্যন্ত এগিয়ে আসেননি কেউ। যদিও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাগুলোর কাজের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জানা গেছে, রাজবাড়ীর সদর উপজেলার খানখানাপুর  ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া গ্রামের কয়েকটা কাঁচা রাস্তা খুবই অবহেলিত, সিদ্দিক মোল্লার বাড়ী হইতে বিল্লাল পাটোয়ারীর বাড়ী পর্যন্ত, কয়েক বছর আগে ইটের সলিং দিয়ে কাজ করা হয়। তবে যতটুকু কাজ এখনো বাকি আছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই পড়ে আছে। দুঃখের বিষয় হলো আমরা জানতে পেরেছি। দত্তপাড়া এলাকায় রাজু আহমেদ নামে এক সাংবাদিকের বাড়ী রয়েছে। রাস্তাটির ৩ মাথায় রয়েছে একটি মসজিদ। এ বিষয়, মসজিদের সভাপতি সিরাজ মাস্টার বলেন, একটু বৃষ্টি হলে মুসল্লিদের আসতে খুব কষ্ট হয়। কাদা মাটিতে পড়ে যেতে হয়। এ রাস্তাটি খুবই দ্রুত কাজ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিক রাজু আহমেদ বলেন, ৪ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় ইউপি সদস্য  ইলিয়াস মেম্বারের বাড়ী পর্যন্ত  ইটের সলিং এর কাজ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে কাজ। সাংবাদিক আরো বলেন, একটু বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তায় গাড়ি চলাচল করবে তো দূরের কথা মানুষ পায়ে হেটে যেতে পারে না, ডেলিভারি রোগী এবং কোন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয়। এমনকি এ রাস্তার কথা শুনলে কোন রিক্সা অটো আসতে চায় না, অনেকে পড়ে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পায়।
ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাটি
ফলে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে যেয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার শিকার হচ্ছেন
স্থানীয়রা,
বর্ষা আসলেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয়, মাহিন্দ্র চালক মনির জানান, বর্ষা হলে কাদা মাটির ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়। গাড়ি নিয়ে আমরা বাড়িতে আসতে পারি না গাড়ি পড়ে যায় গর্তের মধ্যে। রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে অতিদ্রুত রাস্তাটির কাজের প্রয়োজন।
স্থানীয় অটো চালক লিটন খান, জানান, রাস্তায় অনেক খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড়  দুর্ঘটনা ঘটছে। এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে সুস্থ-সবল মানুষেরও নাভিশ্বাস ওঠে যায়। গাড়ি নিয়ে খুবই কষ্ট হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইলিয়াস পাটোয়ারী , রাস্তাটি চলাচলে মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে রাস্তাটি দ্রুত কাজের জন্য  চেরম্যানের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ বিষয়, ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীদের চলাচলে রাস্তাটি শিগগিরই কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমি সরজমিনে গিয়েছিলাম ওই এলাকায় একজন সাংবাদিকের বসবাস খুবই দুঃখজনক। গুরুত্ব সহকারে খুব দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু করব।
এ বিষয়, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মারিয়া হক বলেন, আপাতত কোন বরাদ্দ নেই তারপরও সরজমিনে গিয়ে দেখে দ্রুত রাস্তার কাজ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

ডিজিটাল যুগেও রাজবাড়ীর খানখানাপুরের মানুষ কাঁদা মাটির রাস্তায় চলাচল, জনদুর্ভোগ চরমে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
রাস্তার অভাবে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের
রাজবাড়ী সদর উপজেলা খানখানাপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া গ্রামে ৯ জুলাই বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় কয়েকটি রাস্তা দীর্ঘদিনেও কাজ না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বারবার রাস্তাটির কাজ করার জন্য দাবি তোলা হলেও এ পর্যন্ত এগিয়ে আসেননি কেউ। যদিও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাগুলোর কাজের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জানা গেছে, রাজবাড়ীর সদর উপজেলার খানখানাপুর  ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া গ্রামের কয়েকটা কাঁচা রাস্তা খুবই অবহেলিত, সিদ্দিক মোল্লার বাড়ী হইতে বিল্লাল পাটোয়ারীর বাড়ী পর্যন্ত, কয়েক বছর আগে ইটের সলিং দিয়ে কাজ করা হয়। তবে যতটুকু কাজ এখনো বাকি আছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই পড়ে আছে। দুঃখের বিষয় হলো আমরা জানতে পেরেছি। দত্তপাড়া এলাকায় রাজু আহমেদ নামে এক সাংবাদিকের বাড়ী রয়েছে। রাস্তাটির ৩ মাথায় রয়েছে একটি মসজিদ। এ বিষয়, মসজিদের সভাপতি সিরাজ মাস্টার বলেন, একটু বৃষ্টি হলে মুসল্লিদের আসতে খুব কষ্ট হয়। কাদা মাটিতে পড়ে যেতে হয়। এ রাস্তাটি খুবই দ্রুত কাজ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিক রাজু আহমেদ বলেন, ৪ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় ইউপি সদস্য  ইলিয়াস মেম্বারের বাড়ী পর্যন্ত  ইটের সলিং এর কাজ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে কাজ। সাংবাদিক আরো বলেন, একটু বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তায় গাড়ি চলাচল করবে তো দূরের কথা মানুষ পায়ে হেটে যেতে পারে না, ডেলিভারি রোগী এবং কোন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয়। এমনকি এ রাস্তার কথা শুনলে কোন রিক্সা অটো আসতে চায় না, অনেকে পড়ে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পায়।
ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাটি
ফলে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে যেয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার শিকার হচ্ছেন
স্থানীয়রা,
বর্ষা আসলেই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয়, মাহিন্দ্র চালক মনির জানান, বর্ষা হলে কাদা মাটির ছোট বড় গর্ত তৈরি হয়। গাড়ি নিয়ে আমরা বাড়িতে আসতে পারি না গাড়ি পড়ে যায় গর্তের মধ্যে। রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে অতিদ্রুত রাস্তাটির কাজের প্রয়োজন।
স্থানীয় অটো চালক লিটন খান, জানান, রাস্তায় অনেক খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড়  দুর্ঘটনা ঘটছে। এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে সুস্থ-সবল মানুষেরও নাভিশ্বাস ওঠে যায়। গাড়ি নিয়ে খুবই কষ্ট হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইলিয়াস পাটোয়ারী , রাস্তাটি চলাচলে মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করেন। সেই সঙ্গে রাস্তাটি দ্রুত কাজের জন্য  চেরম্যানের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ বিষয়, ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীদের চলাচলে রাস্তাটি শিগগিরই কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমি সরজমিনে গিয়েছিলাম ওই এলাকায় একজন সাংবাদিকের বসবাস খুবই দুঃখজনক। গুরুত্ব সহকারে খুব দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু করব।
এ বিষয়, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মারিয়া হক বলেন, আপাতত কোন বরাদ্দ নেই তারপরও সরজমিনে গিয়ে দেখে দ্রুত রাস্তার কাজ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।