ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

পদ্মা নদীর মাটি–বালু ব্যবসা: হুমকিতে কৃষিজমি

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৯২ বার পঠিত
উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নে পদ্মা নদীর চর এলাকা থেকে  দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়নের মাজগ্রাম, ছোট মাজগ্রাম ও জুড়ালপুর এলাকায় অন্তত ১২টি ইটভাটায় এসব মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রতিবছর কোটি টাকার বাণিজ্য হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি ও পরিবেশ।
জমির মালিকদের কেউ কেউ বলছেন, নদীর প্রভাবে জমিতে সারা বছর চাষাবাদ সম্ভব হয় না। তাই তারা জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি করেন। মানভেদে প্রতি বিঘা ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান,, কয়েকটি ভেকু দিয়ে চরাঞ্চলের মাটি কেটে ট্রাকে করে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। ভারী যানবাহনের চাপ সামলাতে না পেরে ভেঙে যাচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এসব কার্যক্রম চললেও তদারকির তেমন উদ্যোগ নেই।
এতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। আগে চরাঞ্চলে বাদাম, সরিষা, তিল, মসুরসহ নানা ফসল হতো। এখন আবাদ কমে যাচ্ছে বলে জানান কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, ইটভাটার কারণে আবাদি জমি ও উৎপাদন কমছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার জানান, বৈধ ইজারা ছাড়া নদী থেকে মাটি ও বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ। শিগগিরই অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

পদ্মা নদীর মাটি–বালু ব্যবসা: হুমকিতে কৃষিজমি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নে পদ্মা নদীর চর এলাকা থেকে  দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়নের মাজগ্রাম, ছোট মাজগ্রাম ও জুড়ালপুর এলাকায় অন্তত ১২টি ইটভাটায় এসব মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রতিবছর কোটি টাকার বাণিজ্য হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি ও পরিবেশ।
জমির মালিকদের কেউ কেউ বলছেন, নদীর প্রভাবে জমিতে সারা বছর চাষাবাদ সম্ভব হয় না। তাই তারা জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি করেন। মানভেদে প্রতি বিঘা ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান,, কয়েকটি ভেকু দিয়ে চরাঞ্চলের মাটি কেটে ট্রাকে করে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। ভারী যানবাহনের চাপ সামলাতে না পেরে ভেঙে যাচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এসব কার্যক্রম চললেও তদারকির তেমন উদ্যোগ নেই।
এতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। আগে চরাঞ্চলে বাদাম, সরিষা, তিল, মসুরসহ নানা ফসল হতো। এখন আবাদ কমে যাচ্ছে বলে জানান কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, ইটভাটার কারণে আবাদি জমি ও উৎপাদন কমছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার জানান, বৈধ ইজারা ছাড়া নদী থেকে মাটি ও বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ। শিগগিরই অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।