ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকুন্দিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

আরমান হোসেন, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ০ বার পঠিত
আরমান হোসেন, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ):   কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কুশাকান্দা গ্রামে নিঃসঙ্গ জীবনযাপনকারী নাছরিন বেগম (৬৩) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, নাছরিন বেগম পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত মাঠকর্মী ছিলেন। তার স্বামী মৃত ইয়াকুব আলী এবং পিতা মৃত মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী—স্বর্ণা আক্তার (৪৫) ও কথা মনি (২৫)। তবে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দূরত্ব থাকায় তিনি একাই বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল দুপুরের দিকে তিনি নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার পর থেকে আর বাইরে দেখা যায়নি। এ সময় তার খোঁজও নেয়নি কেউ।
বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি তার বড় ভাই ডা. এ কে এম শহিদুল্লাহ এবং অপর ভাই সাবেক ইউপি সদস্য মহসিন বাবুল তালুকদারকে জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে ফুলে-পচে যাওয়া অবস্থায় নাছরিন বেগমের মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত কিছু কারণে মৃতার সঙ্গে পরিবারের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পাকুন্দিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
আরমান হোসেন, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ):   কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কুশাকান্দা গ্রামে নিঃসঙ্গ জীবনযাপনকারী নাছরিন বেগম (৬৩) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, নাছরিন বেগম পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত মাঠকর্মী ছিলেন। তার স্বামী মৃত ইয়াকুব আলী এবং পিতা মৃত মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী—স্বর্ণা আক্তার (৪৫) ও কথা মনি (২৫)। তবে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দূরত্ব থাকায় তিনি একাই বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল দুপুরের দিকে তিনি নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার পর থেকে আর বাইরে দেখা যায়নি। এ সময় তার খোঁজও নেয়নি কেউ।
বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি তার বড় ভাই ডা. এ কে এম শহিদুল্লাহ এবং অপর ভাই সাবেক ইউপি সদস্য মহসিন বাবুল তালুকদারকে জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে ফুলে-পচে যাওয়া অবস্থায় নাছরিন বেগমের মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত কিছু কারণে মৃতার সঙ্গে পরিবারের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।