ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছলেও মাধ্যমিকের ৪৪ শতাংশ বঞ্চিত!

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৯ বার পঠিত
 নতুন বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বইয়ের গন্ধ ছড়ালেও খুলনায় মাধ্যমিকে বই পৌঁছায়নি ৪৪ শতাংশ। মাধ্যমিকে বাংলা ভার্সনে ক্লাস সেভেন এর কোন বই আসেনি। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়িতে দাখিলের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই আসেনি একটিও। কারিগরি ও ভকেশনাল শাখায় সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির একটিও বই আসেনি। ইংরেজি ভার্সনের বই আসেনি ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর একটিও বই।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিস সূত্রে জানাযায়, জেলায় এ বছর শিশু হতে প্রথম শ্রেণি পর্যন্ত বইয়ের চাহিদা রয়েছে নয় লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৮টি। শত ভাগ বই পাওয়া গেছে। শিশু শ্রেণিতে নতুন বই পাওয়া এসেছে ৭৬ হাজার ২০৬টি (আমার বাই ও এক্সারসাইজ কুইস), ১ম শ্রেণি ১১৮৫৪২, ২য় শ্রেণি ১১৮৭০৭, তৃতীয় শ্রেণিতে বই পাওয়া গেছে ২৩৫৯৫২, চতুর্থ শ্রেণিতে নতুন বই এসেছে ২২৫৩৪৫, পঞ্চম শ্রেণিতে নতুন এসেছে ২০৮১৮৯। জেলায় শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২০৫২৫২ জন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম জানান, আমাদের শতভাগ চাহিদা অনুযায়ী নতুন বই এসেছে। বছরের প্রথম দিনই সকল শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে।
অপরদিকে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে এ বছর বই এর চাহিদা রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৯৭৭টি। বই এসেছে ১৮ লাখ ৫১ হাজার ১৭৩টি। বই প্রাপ্তির পরিমাণ শতকরা ৬৬ শতাংশ।
এর মধ্যে বাংলা ভার্সনে ক্লাস সেভেন এর কোন বই পাওয়া যায় নি। অষ্টম শ্রেণীর ৬৫ শতাংশ বই পাওয়া গেছে, নবম শ্রেণির ৮৫ শতাংশ বাই পাওয়া গেছে।
মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শাখার দাখিলের ১ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি প্রর্যন্ত শতভাগ বই পাওয়া গেছে। নবম শ্রেনির ৭০ শতাংশ বই পাওয়া গেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির কোন বই আসেনি। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী ভোকেশনার শাখার শতভাগ বই পাওয়া গেছে।
কারিগরি শাখার সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির কোন বই পাওয়া যায়নি। ছষ্ঠ শ্রেনির শতভাগ বই পাওয়া গেছে। দশম শ্রেণির ৩৮ শতাংশ বই পাওয়া গেছে।
অপরদিকে ইংরেজি ভার্সনের ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোন বাই পাওয়া যায়নি। ইংরেজি ভার্সনে বই এর চাহিদা রয়েছে ৩০৪৭৫টি। এখানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২৪৫০ জন।
বাংলা ভার্ষনে সপ্তম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৩ জন। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শাখা ১ম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৫৯৮ জন।
জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান জানান, মাধ্যমিকে ৬৬শতাংশ বই পাওয়া গেছে। বাকি বইও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পৌছে যাবে। নতুন বই পাওয়া মাত্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। আজ বছরের প্রথমদিন প্রতি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছলেও মাধ্যমিকের ৪৪ শতাংশ বঞ্চিত!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
 নতুন বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বইয়ের গন্ধ ছড়ালেও খুলনায় মাধ্যমিকে বই পৌঁছায়নি ৪৪ শতাংশ। মাধ্যমিকে বাংলা ভার্সনে ক্লাস সেভেন এর কোন বই আসেনি। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়িতে দাখিলের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই আসেনি একটিও। কারিগরি ও ভকেশনাল শাখায় সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির একটিও বই আসেনি। ইংরেজি ভার্সনের বই আসেনি ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর একটিও বই।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিস সূত্রে জানাযায়, জেলায় এ বছর শিশু হতে প্রথম শ্রেণি পর্যন্ত বইয়ের চাহিদা রয়েছে নয় লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৮টি। শত ভাগ বই পাওয়া গেছে। শিশু শ্রেণিতে নতুন বই পাওয়া এসেছে ৭৬ হাজার ২০৬টি (আমার বাই ও এক্সারসাইজ কুইস), ১ম শ্রেণি ১১৮৫৪২, ২য় শ্রেণি ১১৮৭০৭, তৃতীয় শ্রেণিতে বই পাওয়া গেছে ২৩৫৯৫২, চতুর্থ শ্রেণিতে নতুন বই এসেছে ২২৫৩৪৫, পঞ্চম শ্রেণিতে নতুন এসেছে ২০৮১৮৯। জেলায় শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২০৫২৫২ জন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম জানান, আমাদের শতভাগ চাহিদা অনুযায়ী নতুন বই এসেছে। বছরের প্রথম দিনই সকল শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে।
অপরদিকে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে এ বছর বই এর চাহিদা রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৯৭৭টি। বই এসেছে ১৮ লাখ ৫১ হাজার ১৭৩টি। বই প্রাপ্তির পরিমাণ শতকরা ৬৬ শতাংশ।
এর মধ্যে বাংলা ভার্সনে ক্লাস সেভেন এর কোন বই পাওয়া যায় নি। অষ্টম শ্রেণীর ৬৫ শতাংশ বই পাওয়া গেছে, নবম শ্রেণির ৮৫ শতাংশ বাই পাওয়া গেছে।
মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শাখার দাখিলের ১ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি প্রর্যন্ত শতভাগ বই পাওয়া গেছে। নবম শ্রেনির ৭০ শতাংশ বই পাওয়া গেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির কোন বই আসেনি। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী ভোকেশনার শাখার শতভাগ বই পাওয়া গেছে।
কারিগরি শাখার সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির কোন বই পাওয়া যায়নি। ছষ্ঠ শ্রেনির শতভাগ বই পাওয়া গেছে। দশম শ্রেণির ৩৮ শতাংশ বই পাওয়া গেছে।
অপরদিকে ইংরেজি ভার্সনের ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোন বাই পাওয়া যায়নি। ইংরেজি ভার্সনে বই এর চাহিদা রয়েছে ৩০৪৭৫টি। এখানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২৪৫০ জন।
বাংলা ভার্ষনে সপ্তম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫৩ জন। মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শাখা ১ম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৫৯৮ জন।
জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান জানান, মাধ্যমিকে ৬৬শতাংশ বই পাওয়া গেছে। বাকি বইও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পৌছে যাবে। নতুন বই পাওয়া মাত্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। আজ বছরের প্রথমদিন প্রতি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হবে।