ময়মনসিংহের ডিসিকে ছাত্র-জনতার নাটকীয় সংবর্ধনা

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
- / ৭০ বার পঠিত

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মুফিদুল আলমকে ছাত্র-জনতারা নাটকীয়
সংবর্ধনা দিয়েছেন। ফেস্টুন ব্যানার ও ফুল নিয়ে জুলাই জনতার ব্যানারে আজ এ
সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মফিদুল আলমকে দেওয়া কৃতি ডিসি
সংবর্ধনায় ফেস্টুনে লেখা হয়,”দিন দুপুরে ফ্যাসিস্ট ঘুরে বেড়ানোর স্বাধীনতা
চুরি ছিনতাইয়ের রমরমা আবহাওয়াসহ ময়মনসিংহকে নানা ভাবে পুলকিত করায় ও
বৈবিছাআকে জুলাইয়ের একমাত্র স্টেক হোল্ডার ঘোষনা করায় ময়মনসিংহের মহামান্য
জেলা প্রশাসক জনাব মফিদুল আলম মহোদয়কে কৃতি ডিসি সংবর্ধনা।”
এ বিষয়ে জুলাই যোদ্ধা মাহমুদুল হাসান রাকিবের বক্তব্য ও ফেজবুক পোষ্ট হুবুহু
তুলে ধরা হলো,আজকে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল ইসলামের সাথে কথা
বলতে গেছিলাম। তারপর খুব বাজে একটা অভিজ্ঞতা হলো। আপনাদের সাথে শেয়ার
করি বিষয়টা। জুলাইয়ের পর মনে হচ্ছিলো যে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ
টাইপের কিছু একটা করা উচিত।
এটা নিয়ে আমরা বন্ধুরা তখন ভাবছিলাম। তখন
বাইপাস মোড়ের গোল চত্বরে ্য়ঁড়ঃ;প্রজন্ম ২৪্য়ঁড়ঃ; নামে একটা স্মৃতিসৌধ স্থাপন
করতে চাইছি কিন্তু বাজেট ইস্যু আর স্থায়ী স্থাপনার অনুমোদন জটিলতায় তা
করা হয় নাই। যেখানে পূর্বে হাসিনা আর্চ স্টিল সেতুর(দুর্নীতির আখড়া)
ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন ফলক করছিলো কিন্তু জুলাইয়ে তা ভেঙে ফেলা হয়। তা যাইহোক
পরবর্তীতে আমরা চড়পাড়া মোড়ের নষ্ট টাইম স্কয়ারে নিজেরা আমাদের মতো
সংস্কার করে, লাল কালো রঙের একটা ডিজাইন করে নাম দেই ্য়ঁড়ঃ;৩৬ জুলাই চত্বর ্য়ঁড়ঃ;। রঙের
টাকাটাও আমার পকেট থেকে দেওয়া। তখন পর্যন্ত এমন স্থাপনা কোথাও হয় নাই।
মানুষের উদ্দীপনা ছিলো দেখার মতো। জুলাই উপলক্ষে সরকারতো নানাবিধ উদ্যোগ
নিচ্ছে তাই ভাবলাম জুলাই চত্বর নিয়ে ডিসিকে কিছু প্রস্তাবনা দিয়ে আসি।
এক বছর পর এসে চত্বরের রঙটাও মলিন হয়ে গেছে, শ্বেতপাথরের নেমপ্লেট ভাঙা,
ঘড়ি নষ্ট। আমরা আজ দুপুরে উনার সাথে কথা বলতে গেলে প্রথমে বলা হয় দেরি হবে
তারপর আমাদের থেকে দুইজনকে রুমে প্েরবশ করতে দেয় । উনাকে বলার পর উনার
জিজ্ঞাসা ছিলো আপনারা বৈষম্যের কোনো পদে আছেন কি না এবং বলেন
আপনাকেতো চিনি না। যখন বললাম আমি বৈষম্য করি না তখন উনি রিপ্লাই দেন
যে , আপনারা বৈষম্যের কাউকে নিয়ে আসেন আমি বৈষম্য ছাড়া এসব কথা
কারো থেকে শুনবো না। উনি কিন্তু আমাকে চিনেন। একবার লীগের সন্ত্রাসীদের
গ্রেপ্তার না করার কারণ জিজ্ঞেস করতে গেছিলাম। আবার যখন উনি ময়মনসিংহ
সাহিত্য ফোরামের চার দশকের ঐতিহ্যবাহী মঞ্চ বিনা নোটিশে ভেঙে ফেলেন তার
প্রতিবাদ করি এবং পরবর্তীতে এ ইস্যুতে সাক্ষাৎ হয় দুইবার। ময়মনসিংহ শহরে
জুলাই নিয়ে আমাদের কিছু প্রস্তাব লিখে দিছিলাম উনারে তা উনি টাচও করেন
নাই। উনি কাদের দালালি করেন, কাদের পিতা মানেন এ বিষয়টা কিন্তু শহরের প্রায়
সবাই জানে। তারপরও ভাবি নাই যে উনি এতটা দাম্ভিকতার সাথে সরাসরি বলবেন
, বৈষম্য ছাড়া কারোর কথা শুনেন না। আমি জাস্ট বলে আসছি জুলাই কারো কাছে
বর্গা দেওয়া না। এক্স ছাত্রলীগ, চুর বাটপার,পাচাটাদের হুকুমের গোলাম এসব
সরকারি কর্মকর্তারা। এদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব আমার জানা
নাই। সাধারণ মানুষ চিরকাল মজলুম হয়েই থাকবে?!
গজনফার আশরাফের সঞ্চালনায় কয়েকজন জুলাই যোদ্ধা বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির
বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন,মাহমুদুল হাসান রাকিব,সজীব আকন্দ,তানজিল হোসেন
মুণিম, রিশাদুল আলম প্রিন্স, চিত্রণ ভট্টাচার্য। প্রতিবাদী কন্ঠে কবিতা পাঠ
করেন আরফি সিয়াম ও গজনফার আশরাফ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জিনেদিন
জিদান, সাজিদ আহমেদ প্রান্ত, রায়দুল হাসান দ্বীপ, শিহাবুর রহমান সুপ্ত, আরিফ
হাসান, মাইনুর রেজা তাবিব, রিয়াদ, তাহান এবং প্রমুখ।
এ বিষয়ে জানতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমকে মোবাইল ফুনে কল
দিলে তাকে পাওয়া যায় নি।














