ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

রাজবাড়ীতে কুৃইচা ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন রাকেশ 

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / ৬৬ বার পঠিত
রাজবাড়ীতে কুৃইচা ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন রাকেশ
রাজবাড়ীতে কয়েকদিন যাবত বৃষ্টির পানি খানাখন্দে জমে আছে। সেই সাথে ক্ষেতের আইলে পরিত্যক্ত পুকুরের আশেপাশে কুঁইচা (কুইচ্চা) শিকারিদের আনাগোনা বেড়েছে। এরা দেশি কুইচা মাটির গর্ত থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালায়।
শুক্রবার দুপুরে, রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুরে একটি পরিত্যক্ত পুকুরে দেখা যায় এমন চিত্র। রাকেশ নামের এক যুবক হাতে একটি বরশি ও হাঁড়ি নিয়ে নেমেছেন এই কাজে। কুঁইচার প্রত্যেক কেজি ৪ থেকে ৫০০ টাকা বিক্রি করেন তিনি।
জানা গেছে, কুঁইচা দেখতে সাপের মত হলেও এটি একপ্রকার মাছ। দেশে এটি অঞ্চল ভেদে কইচ্চা, কুঁইচা, কুঁচে, কুঁচো, মাছ নামে পরিচিত।
রাকেশ নামের যুবক আমাদের জানান, এটি মূলত পাওয়া যায় হাওর অঞ্চল, খাল বিল, পচা পুকুর, ধান ক্ষেতে এবং বন্যা প্লাবিত অঞ্চলে পাওয়া যায়। পুষ্টিকর এবং ঔষধি গুণাবলী সম্পূর্ণ এ মাছ।
তিনি আরো জানান, আমরা এই মাছ বাজার নিয়ে মহাজনের কাছে বিক্রি করব। তিনি এ কুইচা মাছ ঢাকায় বিক্রি করবেন। তবে শুনেছি এই কুইচা মাছ দেশের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি চীন  জাপান, হংকং, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া সহ ১৫  দেশে রপ্তানি হয়।
তিনি আরো জানান, আমাদের দেশের অনেক মানুষ এই মাছ খেয়ে থাকেন শরীরের রক্ত উৎপন্ন ও বাত ব্যথা নিরসনের জন্য। আমি প্রত্যেকদিন দুই তিন কেজি কুইচা ধরে থাকি। কুঁইচা শিকার করতে আমাদের বড়শি ও কেঁচোর প্রয়োজন হয়।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

রাজবাড়ীতে কুৃইচা ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন রাকেশ 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
রাজবাড়ীতে কুৃইচা ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন রাকেশ
রাজবাড়ীতে কয়েকদিন যাবত বৃষ্টির পানি খানাখন্দে জমে আছে। সেই সাথে ক্ষেতের আইলে পরিত্যক্ত পুকুরের আশেপাশে কুঁইচা (কুইচ্চা) শিকারিদের আনাগোনা বেড়েছে। এরা দেশি কুইচা মাটির গর্ত থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালায়।
শুক্রবার দুপুরে, রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুরে একটি পরিত্যক্ত পুকুরে দেখা যায় এমন চিত্র। রাকেশ নামের এক যুবক হাতে একটি বরশি ও হাঁড়ি নিয়ে নেমেছেন এই কাজে। কুঁইচার প্রত্যেক কেজি ৪ থেকে ৫০০ টাকা বিক্রি করেন তিনি।
জানা গেছে, কুঁইচা দেখতে সাপের মত হলেও এটি একপ্রকার মাছ। দেশে এটি অঞ্চল ভেদে কইচ্চা, কুঁইচা, কুঁচে, কুঁচো, মাছ নামে পরিচিত।
রাকেশ নামের যুবক আমাদের জানান, এটি মূলত পাওয়া যায় হাওর অঞ্চল, খাল বিল, পচা পুকুর, ধান ক্ষেতে এবং বন্যা প্লাবিত অঞ্চলে পাওয়া যায়। পুষ্টিকর এবং ঔষধি গুণাবলী সম্পূর্ণ এ মাছ।
তিনি আরো জানান, আমরা এই মাছ বাজার নিয়ে মহাজনের কাছে বিক্রি করব। তিনি এ কুইচা মাছ ঢাকায় বিক্রি করবেন। তবে শুনেছি এই কুইচা মাছ দেশের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি চীন  জাপান, হংকং, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া সহ ১৫  দেশে রপ্তানি হয়।
তিনি আরো জানান, আমাদের দেশের অনেক মানুষ এই মাছ খেয়ে থাকেন শরীরের রক্ত উৎপন্ন ও বাত ব্যথা নিরসনের জন্য। আমি প্রত্যেকদিন দুই তিন কেজি কুইচা ধরে থাকি। কুঁইচা শিকার করতে আমাদের বড়শি ও কেঁচোর প্রয়োজন হয়।