ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

শ্যামনগরের সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির তদন্ত করলেন জেলা শিক্ষা অফিসার

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৯ বার পঠিত
শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ সমূহ তদন্ত করেন, জেলা শিক্ষা অফিসার সাতক্ষীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ২-৩০ মিনিট পর্যন্ত এ তদন্ত কাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা শিক্ষা অফিসার আবুল খায়েরের সঙ্গে তদন্ত কাজে সহযোগিতা  করেন, সহকারি প্রোগ্রামার সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আরিফা এদিব চৌধুরীর কম্পিউটার সনদটি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেকটার সাবেক নট্রামস কর্তৃক জাল/ভুয়া প্রমাণিত হওয়া সনদ দিয়ে প্রধান শিক্ষক আরিফা এদিব চৌধুরীকে সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে  নিয়োগ দান করেন এবং তার বেতন ভাতাদি উত্তোলনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ইহা ছাড়া প্রধান শিক্ষক নিজেই জাল সনদ ইস্যু করে অর্থের বিনিময়ে সুফিয়ান গাজীকে কর্মচারী পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এমনি অসংখ্য অভিযোগের তদন্ত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা শিক্ষা অফিসার উম্মে তদন্ত  শেষে উপস্থিত সাংবাদিকসহ সকলকে জানান, আমি নিরপেক্ষতন্দ্র রিপোর্ট প্রদান করব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

শ্যামনগরের সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির তদন্ত করলেন জেলা শিক্ষা অফিসার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ সমূহ তদন্ত করেন, জেলা শিক্ষা অফিসার সাতক্ষীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ২-৩০ মিনিট পর্যন্ত এ তদন্ত কাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা শিক্ষা অফিসার আবুল খায়েরের সঙ্গে তদন্ত কাজে সহযোগিতা  করেন, সহকারি প্রোগ্রামার সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আরিফা এদিব চৌধুরীর কম্পিউটার সনদটি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেকটার সাবেক নট্রামস কর্তৃক জাল/ভুয়া প্রমাণিত হওয়া সনদ দিয়ে প্রধান শিক্ষক আরিফা এদিব চৌধুরীকে সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে  নিয়োগ দান করেন এবং তার বেতন ভাতাদি উত্তোলনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ইহা ছাড়া প্রধান শিক্ষক নিজেই জাল সনদ ইস্যু করে অর্থের বিনিময়ে সুফিয়ান গাজীকে কর্মচারী পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এমনি অসংখ্য অভিযোগের তদন্ত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা শিক্ষা অফিসার উম্মে তদন্ত  শেষে উপস্থিত সাংবাদিকসহ সকলকে জানান, আমি নিরপেক্ষতন্দ্র রিপোর্ট প্রদান করব।