ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
আসামিদের ভয়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ

মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

মজনু মিয়া, গাইবান্ধা:   গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় আদালতে মামলা দায়ের করার পরও আসামিদের হুমকি-ধমকির মুখে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। নিরাপত্তাহীনতায় অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে দাবি করেছেন তারা।
সোমবার ২৯ জুন দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর ডিপ বাজার এলাকার বাসিন্দা ও অসহায় রিকশাচালক ফরিদুল ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার স্বামী ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী সাদা মিয়ার ছেলে আসাদুল শেখ, আশরাফুল ইসলাম ও জিন্নাত আলীর বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে পরে আশরাফুল ইসলামের নির্দেশে আসাদুল শেখ, জিন্নাত আলী, সাদা শেখ, রশিদা বেগম, ববিতা বেগম, মারুফা বেগম ও আফরোজাসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তার স্বামীকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা আহত ফরিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
খাদিজা বেগমের অভিযোগ, স্বামীর চিকিৎসার কাজে পরিবার ব্যস্ত থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষরা তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করায় গত ৯ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হলে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা বেগম বলেন, আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে তারা বাড়িতে ফিরতে পারছেন না এবং বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তিনি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তার শ্বশুর শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা জোব্বার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
01 July 2026

টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল, পাঁচ বছরেও চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ সেবা

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

আসামিদের ভয়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ

মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
মজনু মিয়া, গাইবান্ধা:   গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় আদালতে মামলা দায়ের করার পরও আসামিদের হুমকি-ধমকির মুখে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। নিরাপত্তাহীনতায় অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে দাবি করেছেন তারা।
সোমবার ২৯ জুন দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর ডিপ বাজার এলাকার বাসিন্দা ও অসহায় রিকশাচালক ফরিদুল ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার স্বামী ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী সাদা মিয়ার ছেলে আসাদুল শেখ, আশরাফুল ইসলাম ও জিন্নাত আলীর বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে পরে আশরাফুল ইসলামের নির্দেশে আসাদুল শেখ, জিন্নাত আলী, সাদা শেখ, রশিদা বেগম, ববিতা বেগম, মারুফা বেগম ও আফরোজাসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তার স্বামীকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা আহত ফরিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
খাদিজা বেগমের অভিযোগ, স্বামীর চিকিৎসার কাজে পরিবার ব্যস্ত থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষরা তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করায় গত ৯ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হলে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা বেগম বলেন, আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে তারা বাড়িতে ফিরতে পারছেন না এবং বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তিনি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তার শ্বশুর শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা জোব্বার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card