ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

শিশু সহিংসতা মামলায় যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড এক

আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও:   ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু সহিংসতা দমন আইনে দায়ের করা আলোচিত মামলায় মো. আ. মমিন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রানীশংকৈল উপজেলার একটি এলাকায় এক শিশুর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন।
রায়ের পর আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলার অপর এক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দীর্ঘ অপেক্ষার পর আদালতের রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার সমাজে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
01 July 2026

টিয়ারখালী ২০ শয্যা হাসপাতাল, পাঁচ বছরেও চালু হয়নি পূর্ণাঙ্গ সেবা

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

শিশু সহিংসতা মামলায় যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড এক

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১০:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও:   ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু সহিংসতা দমন আইনে দায়ের করা আলোচিত মামলায় মো. আ. মমিন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রানীশংকৈল উপজেলার একটি এলাকায় এক শিশুর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন।
রায়ের পর আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলার অপর এক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দীর্ঘ অপেক্ষার পর আদালতের রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ ধরনের অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার সমাজে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়।

Share this news as a Photo Card