ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

রংপুরে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পিটিয়ে শ্লীলতাহানি, কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় স্বজনদের ক্ষোভ

  • রাসেল রানা, রংপুর
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত
রাসেল রানা, রংপুর:   রংপুর মহানগরীর পরশুরাম থানাধীন হারাটি মধ্যপাড়া এলাকায় খালের পানি সেচ ও কাদা ফেলা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে পাঁচ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বেধড়ক মারধর ও শ্লীলতাহানির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারীসহ একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দুপুরে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের একটি খালের পানি সেচ করে মাছ ধরার সময় উঠানের বেড়ার পাশে কাদা ফেলতে থাকে। এতে আফতাবুজ্জামানের স্ত্রী মোছা. মিতালী বেগম বাধা দিলে প্রতিপক্ষ মো. রশিদুল ইসলাম, মো. মাহাতাবুল, মোছা. ফারহানা ও মো. মাইদুল ইসলাম গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা বাঁশের লাঠি দিয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মিতালী বেগমকে বেধড়ক মারধর করে বাঁ পায়ে গুরুতর জখম করে এবং কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়।
এ সময় তাঁকে বাঁচাতে ভাই মোতাসছেম বিল্লাহ ও মাজেদুল ইসলাম এগিয়ে এলে তাঁদেরও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মো. আফতাবুজ্জামান বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগকারী আফতাবুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালে শয্যাশায়ী পরিবারকে নিয়ে তাঁরা বিচার পাওয়ার আশায় দিন গুনছেন। কিন্তু অভিযোগের ১২ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি।
এ বিষয়ে পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে থানা পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি উভয় পক্ষকে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
তবে পুলিশের এ ধরনের জবাবে হতাশা প্রকাশ করে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনাটির সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

মাদ্রাসা ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

12 September 2026

ডেঙ্গু ঠেকাতে তিন মাসের কর্মসূচি শুরু, রাসিকের বর্ণাঢ্য র‌্যালি

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

রংপুরে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পিটিয়ে শ্লীলতাহানি, কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় স্বজনদের ক্ষোভ

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাসেল রানা, রংপুর:   রংপুর মহানগরীর পরশুরাম থানাধীন হারাটি মধ্যপাড়া এলাকায় খালের পানি সেচ ও কাদা ফেলা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে পাঁচ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বেধড়ক মারধর ও শ্লীলতাহানির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারীসহ একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দুপুরে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের একটি খালের পানি সেচ করে মাছ ধরার সময় উঠানের বেড়ার পাশে কাদা ফেলতে থাকে। এতে আফতাবুজ্জামানের স্ত্রী মোছা. মিতালী বেগম বাধা দিলে প্রতিপক্ষ মো. রশিদুল ইসলাম, মো. মাহাতাবুল, মোছা. ফারহানা ও মো. মাইদুল ইসলাম গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা বাঁশের লাঠি দিয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মিতালী বেগমকে বেধড়ক মারধর করে বাঁ পায়ে গুরুতর জখম করে এবং কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়।
এ সময় তাঁকে বাঁচাতে ভাই মোতাসছেম বিল্লাহ ও মাজেদুল ইসলাম এগিয়ে এলে তাঁদেরও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মো. আফতাবুজ্জামান বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগকারী আফতাবুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালে শয্যাশায়ী পরিবারকে নিয়ে তাঁরা বিচার পাওয়ার আশায় দিন গুনছেন। কিন্তু অভিযোগের ১২ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি।
এ বিষয়ে পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিবুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে থানা পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি উভয় পক্ষকে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
তবে পুলিশের এ ধরনের জবাবে হতাশা প্রকাশ করে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনাটির সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছে।

Share this news as a Photo Card