ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

শান্তি-সমৃদ্ধি প্রার্থনায় সারাদেশে রাধাষ্টমী উদযাপন

  • অরবিন্দ রায়
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:২৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৫ বার পঠিত

অরবিন্দ রায়:    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের  অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী রাধা রাধাষ্টমী নানা আয়োজনে শনিবার মন্দিরে মন্দিরে ও  বাড়িতে বাড়িতে পালিত  হচ্ছে। ভক্তরা উপবাস ও পূজা অর্চনার মাধ্যমে – অর্চনার মাধ্যমে রাধারানীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাধাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির ও বাড়িতে বিশেষ পূজা অর্চনা, কীর্তন, নামসংকীর্তন, ভজন,   ও প্রসাদ বিতরন করেন। নারী – পুরুষ, শিশু – কিশোরসহ নানা বয়সী ভক্তরা রাধারাণীর চরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শনিবার  ভাদ্র মাসের শুক্ল অষ্টমী তিথিতে শ্রী শ্রী রাধার  আবির্ভাব ঘটে ।  রাধার জন্মস্থান হল মথুরার বারসনা।  ভাদ্র মাসের শুক্ল  অষ্টমী তিথিতে রাজা বৃষভানু ও  তার স্ত্রী কৃীর্তি স্বর্ণপদ্মের কোল আলো করে শ্রীরাধা তাদের ঘরে এসেছিলেন। রাধা অষ্টমী বৈষ্ণব ধর্মালম্বিদের কাছে উল্লেখযোগ্য একটি দিন।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন , পবিত্র রাধাষ্টমী  পালন করলে সকল মানুষেমানুষের মনোবাসনা পূর্ণ হয়।  রাধাষ্টমী দিনটিকে রাধা রানীর জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয়। রাধা অষ্টমীর দিন রাধা রানী ও শ্রীকৃষ্ণের পূঁজা করলে মনের কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করা হয়। ঘরের সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য রাধা অষ্টমীর দিন মন্ত্র পাঠ করা উচিত। এতে ঘরে সুখ ও সৌভাগ্য আসে। রাধা অষ্টমীর দিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা রানীকে মিষ্টান্ন নিবেদন করা উচিত।

রাধা রানীর রয়েছে ১০৮ টি নাম।”রা” শব্দটি এসেছে রমন শব্দ থেকে। রমন শব্দের অর্থ হলো আনন্দ বর্ধনকারী। “ধা” শব্দটা এসেছে ধারণ থেকে। যিনি আনন্দ ধারণ করে থাকেন তিনিই হলেন রাধা।ভগবান কৃষ্ণের সাথে রাধার গভীর সংযোগ তাকে নিঃস্বার্থ  উৎসর্গের প্রতীক করে তুলেছে। পবিএ হিন্দু  গ্রন্হে বর্নিত হিসেবে, কৃষ্ণের কাছে যাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে। রাধার অটল প্রেম তাকে পরিএাণের জন্য সবচেয়ে অস্হির আত্মাদের সুপারিশ করতে দেয়।

এই শুভ দিনটি ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। নেতিবাচকতা দূর করে ও যারা এটিকে সম্মান করে তাদের জন্য সুখ, সমৃদ্ধি সূচনা করে বলে বিশ্বাস করা হয়।রাধাষ্টমী উপবাসের সময় মহিলারা উপবাস  রাখেন। রাধা রানীর পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণেরল পূজা করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্শীবাদ পাওয়া যায়। রাধা অষ্টমী উপবাস করলে সকল পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।রাধাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, রাধাষ্টমী মানুষের জীবনের ভালোবাসা, শান্তি, সহমর্মিতা ও ভক্তির শিক্ষা দেয়।

ভক্তরা মনে করেন, রাধা- কৃষ্ণের আদর্শ  অনুসরণ করে চললে  সমাজে সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করেন। তারা দেশ, জাতি ও মানুষের শান্তি, কল্যাণ এবং পারষ্পরিক সম্প্রীতি কামনা করেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
22 October 2026

তদন্ত প্রতিবেদন মনপূত না হওয়ায় সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, লামায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com

শান্তি-সমৃদ্ধি প্রার্থনায় সারাদেশে রাধাষ্টমী উদযাপন

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:২৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অরবিন্দ রায়:    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের  অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী রাধা রাধাষ্টমী নানা আয়োজনে শনিবার মন্দিরে মন্দিরে ও  বাড়িতে বাড়িতে পালিত  হচ্ছে। ভক্তরা উপবাস ও পূজা অর্চনার মাধ্যমে – অর্চনার মাধ্যমে রাধারানীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাধাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির ও বাড়িতে বিশেষ পূজা অর্চনা, কীর্তন, নামসংকীর্তন, ভজন,   ও প্রসাদ বিতরন করেন। নারী – পুরুষ, শিশু – কিশোরসহ নানা বয়সী ভক্তরা রাধারাণীর চরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শনিবার  ভাদ্র মাসের শুক্ল অষ্টমী তিথিতে শ্রী শ্রী রাধার  আবির্ভাব ঘটে ।  রাধার জন্মস্থান হল মথুরার বারসনা।  ভাদ্র মাসের শুক্ল  অষ্টমী তিথিতে রাজা বৃষভানু ও  তার স্ত্রী কৃীর্তি স্বর্ণপদ্মের কোল আলো করে শ্রীরাধা তাদের ঘরে এসেছিলেন। রাধা অষ্টমী বৈষ্ণব ধর্মালম্বিদের কাছে উল্লেখযোগ্য একটি দিন।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন , পবিত্র রাধাষ্টমী  পালন করলে সকল মানুষেমানুষের মনোবাসনা পূর্ণ হয়।  রাধাষ্টমী দিনটিকে রাধা রানীর জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয়। রাধা অষ্টমীর দিন রাধা রানী ও শ্রীকৃষ্ণের পূঁজা করলে মনের কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করা হয়। ঘরের সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য রাধা অষ্টমীর দিন মন্ত্র পাঠ করা উচিত। এতে ঘরে সুখ ও সৌভাগ্য আসে। রাধা অষ্টমীর দিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা রানীকে মিষ্টান্ন নিবেদন করা উচিত।

রাধা রানীর রয়েছে ১০৮ টি নাম।”রা” শব্দটি এসেছে রমন শব্দ থেকে। রমন শব্দের অর্থ হলো আনন্দ বর্ধনকারী। “ধা” শব্দটা এসেছে ধারণ থেকে। যিনি আনন্দ ধারণ করে থাকেন তিনিই হলেন রাধা।ভগবান কৃষ্ণের সাথে রাধার গভীর সংযোগ তাকে নিঃস্বার্থ  উৎসর্গের প্রতীক করে তুলেছে। পবিএ হিন্দু  গ্রন্হে বর্নিত হিসেবে, কৃষ্ণের কাছে যাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে। রাধার অটল প্রেম তাকে পরিএাণের জন্য সবচেয়ে অস্হির আত্মাদের সুপারিশ করতে দেয়।

এই শুভ দিনটি ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। নেতিবাচকতা দূর করে ও যারা এটিকে সম্মান করে তাদের জন্য সুখ, সমৃদ্ধি সূচনা করে বলে বিশ্বাস করা হয়।রাধাষ্টমী উপবাসের সময় মহিলারা উপবাস  রাখেন। রাধা রানীর পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণেরল পূজা করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্শীবাদ পাওয়া যায়। রাধা অষ্টমী উপবাস করলে সকল পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।রাধাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, রাধাষ্টমী মানুষের জীবনের ভালোবাসা, শান্তি, সহমর্মিতা ও ভক্তির শিক্ষা দেয়।

ভক্তরা মনে করেন, রাধা- কৃষ্ণের আদর্শ  অনুসরণ করে চললে  সমাজে সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করেন। তারা দেশ, জাতি ও মানুষের শান্তি, কল্যাণ এবং পারষ্পরিক সম্প্রীতি কামনা করেন।

Share this news as a Photo Card