ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
আদালতের রায় অমান্য করে বিধবার জমি দখলের অভিযোগ

হারুন অর রশিদ,সোনাতলা(বগুড়া):
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১০৩ বার পঠিত

বগুড়ার সোনাতলায় আদালতের চূড়ান্ত রায় উপেক্ষা করে তিন সন্তানের জননী এক অসহায় বিধবা নারীর প্রাপ্য জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর এক সন্তান শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারটি বর্তমানে চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সোমবার সোনাতলায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী বিধবা নারী শেফালী বেগম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, দলিল ও রেকর্ডপত্র অনুযায়ী তার শ্বশুর ঘেরু প্রামানিক ওরফে হাফিজুর রহমানের নামে সোনাতলা উপজেলার পদ্দপাড়া গ্রামের দাগ নং ১৩৭০-এর জমি বৈধভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। উক্ত জমির প্রাপ্য অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলার পর বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতে বাটোয়ারা মামলার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।
আদালতের চূড়ান্ত রায়ে তাকে ও তার পরিবারকে ওই দাগভুক্ত জমির ১৮.১৫ শতাংশ জমির বৈধ মালিক ও অংশীদার হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও মোকছেদ ব্যাপারীর ছেলে শফিকুল ও শহিদ জোরপূর্বক তার প্রাপ্য জমি দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শেফালী বেগম বলেন, আদালতের রায় বাস্তবায়নে বারবার চেষ্টা করেও তিনি জমিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। উল্টো দখলদাররা তাকে ও তার সন্তানদের নিয়মিত ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে, যার ফলে পরিবারটি চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,
“আমি একজন বিধবা নারী। আমার সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে, যার মধ্যে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। এই জমিটুকুই আমাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক জমি দখল করে আমাদের পথে বসানোর চেষ্টা করছে।”
শেফালী বেগম অভিযোগ করে জানান, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি। বরং দখলদাররা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপায়ান্তর না দেখে তিনি গণমাধ্যমের শরণাপন্ন হয়ে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সঙ্গে আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করে তার ন্যায্য ১৮.১৫ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
আরও পড়ুন:


















