ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

অসহায় প্রতিবন্ধীর মুখে হাসি ফেরাল “ছায়া”

ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০ বার পঠিত
ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা):   মাগুরার মহম্মদপুরে মানবিকতার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ছায়া”। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাওয়া এক অসহায় প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক বাবুর পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি প্রমাণ করেছে—সমাজে এখনও সহমর্মিতা, দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেঁচে আছে।
কিছুদিন আগে দুর্বৃত্তদের হাতে বাবুর ভ্যানটি চুরি হয়ে যায়। প্রতিদিনের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার দারুণ কষ্টে দিন কাটাতে থাকেন। প্রতিবন্ধকতার কারণে অন্য কোনো কাজ করার সুযোগও তার নেই। এমন অবস্থায় বাবুর জীবন যেন থমকে দাঁড়ায়। বিষয়টি এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানতে পেরে “ছায়া” সংগঠন দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে।
গতকাল সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাবুর জন্য ভ্যান ক্রয়ে সহায়তা হিসেবে নগদ ১০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়। এ সময় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সহায়তার অর্থ রাজপাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মোহাম্মদপুর কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের প্রভাষক জনাব শফিকুল ইসলাম রকেট মৃধার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়, যাতে দ্রুত বাবুর জন্য একটি নতুন ভ্যানের ব্যবস্থা করা যায়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, “ছায়া” বিশ্বাস করে—মানুষ মানুষের জন্য। সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। সামর্থ্য সীমিত হলেও আন্তরিকতা ও মানবিকতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমেই তারা এলাকায় আস্থা ও ভালোবাসার একটি শক্ত ভিত গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।
এলাকাবাসী এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, এ ধরনের সামাজিক সংগঠনগুলোই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ দেখায় এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখে। বাবুর মতো আরও অনেক মানুষ আছেন, যাদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
“ছায়া” সংগঠন সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছে, যাতে ভবিষ্যতেও তারা এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে। একটি নিরাপদ, সহানুভূতিশীল ও মানবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন নিয়েই তাদের পথচলা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

অসহায় প্রতিবন্ধীর মুখে হাসি ফেরাল “ছায়া”

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইমরোজুল ইসলাম, মহম্মদপুর (মাগুরা):   মাগুরার মহম্মদপুরে মানবিকতার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ছায়া”। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাওয়া এক অসহায় প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক বাবুর পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি প্রমাণ করেছে—সমাজে এখনও সহমর্মিতা, দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেঁচে আছে।
কিছুদিন আগে দুর্বৃত্তদের হাতে বাবুর ভ্যানটি চুরি হয়ে যায়। প্রতিদিনের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার দারুণ কষ্টে দিন কাটাতে থাকেন। প্রতিবন্ধকতার কারণে অন্য কোনো কাজ করার সুযোগও তার নেই। এমন অবস্থায় বাবুর জীবন যেন থমকে দাঁড়ায়। বিষয়টি এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানতে পেরে “ছায়া” সংগঠন দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে।
গতকাল সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাবুর জন্য ভ্যান ক্রয়ে সহায়তা হিসেবে নগদ ১০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়। এ সময় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সহায়তার অর্থ রাজপাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মোহাম্মদপুর কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের প্রভাষক জনাব শফিকুল ইসলাম রকেট মৃধার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়, যাতে দ্রুত বাবুর জন্য একটি নতুন ভ্যানের ব্যবস্থা করা যায়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, “ছায়া” বিশ্বাস করে—মানুষ মানুষের জন্য। সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। সামর্থ্য সীমিত হলেও আন্তরিকতা ও মানবিকতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমেই তারা এলাকায় আস্থা ও ভালোবাসার একটি শক্ত ভিত গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।
এলাকাবাসী এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, এ ধরনের সামাজিক সংগঠনগুলোই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ দেখায় এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখে। বাবুর মতো আরও অনেক মানুষ আছেন, যাদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
“ছায়া” সংগঠন সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছে, যাতে ভবিষ্যতেও তারা এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে। একটি নিরাপদ, সহানুভূতিশীল ও মানবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন নিয়েই তাদের পথচলা।