ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত হাইকোর্টের স্টে অর্ডার

আবারও ঋণ খেলাপি কাজী রফিকুল ইসলাম!

হারুন অর রশিদ, সোনাতলা,(বগুড়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৩০৪ বার পঠিত
হারুন অর রশিদ, সোনাতলা,(বগুড়া):  বগুড়া-১ (সোনাতলা–সারিয়াকান্দি) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আবারও বড় অঙ্কের ঋণ খেলাপির অভিযোগ সামনে এসেছে। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকা ঋণের মামলায় হাইকোর্ট থেকে নেওয়া স্টে অর্ডার আজ ১৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন স্থগিত করেছেন।
এর ফলে কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ঋণ আদায়ের আইনি প্রক্রিয়ায় আর কোনো বাধা রইল না এবং তিনি পুনরায় ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ঋণ খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হলেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিপুল অঙ্কের এই ঋণ দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আইনগত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে কাজী রফিকুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে একটি স্টে অর্ডার নিলেও সর্বোচ্চ আদালতে সেই আদেশ টেকেনি।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রশ্ন—
বারবার ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগ, ব্যাংক খেকো ও ভূমি দখলের নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কাজী রফিকুল ইসলাম কীভাবে বিএনপির মতো একটি আদর্শবাদী ও গণতান্ত্রিক দলের কাছ থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন?
তাদের দাবি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা যে দল দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, সেই দলের নৈতিক অবস্থানের সঙ্গে এমন ব্যক্তির মনোনয়ন প্রত্যাশা সাংঘর্ষিক।
এ বিষয়ে কাজী রফিকুল ইসলামের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই আদেশ তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও মনোনয়ন প্রত্যাশার ক্ষেত্রে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত হাইকোর্টের স্টে অর্ডার

আবারও ঋণ খেলাপি কাজী রফিকুল ইসলাম!

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
হারুন অর রশিদ, সোনাতলা,(বগুড়া):  বগুড়া-১ (সোনাতলা–সারিয়াকান্দি) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আবারও বড় অঙ্কের ঋণ খেলাপির অভিযোগ সামনে এসেছে। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকা ঋণের মামলায় হাইকোর্ট থেকে নেওয়া স্টে অর্ডার আজ ১৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন স্থগিত করেছেন।
এর ফলে কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ঋণ আদায়ের আইনি প্রক্রিয়ায় আর কোনো বাধা রইল না এবং তিনি পুনরায় ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ঋণ খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হলেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিপুল অঙ্কের এই ঋণ দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আইনগত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে কাজী রফিকুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে একটি স্টে অর্ডার নিলেও সর্বোচ্চ আদালতে সেই আদেশ টেকেনি।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রশ্ন—
বারবার ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগ, ব্যাংক খেকো ও ভূমি দখলের নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কাজী রফিকুল ইসলাম কীভাবে বিএনপির মতো একটি আদর্শবাদী ও গণতান্ত্রিক দলের কাছ থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন?
তাদের দাবি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা যে দল দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, সেই দলের নৈতিক অবস্থানের সঙ্গে এমন ব্যক্তির মনোনয়ন প্রত্যাশা সাংঘর্ষিক।
এ বিষয়ে কাজী রফিকুল ইসলামের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই আদেশ তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও মনোনয়ন প্রত্যাশার ক্ষেত্রে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।