ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আলোর পথিকৃৎ রাসমোহন মিশ্রের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮২ বার পঠিত
এগারোখান অঞ্চলের আলোকবর্তিকা, সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাবিদ পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে ‘সর্বজনীন রাসমোহন মিশ্র সেবাশ্রম’। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে তাঁর জীবন ও দর্শনভিত্তিক আলোচনা সভা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, হরিলীলামৃত পাঠ এবং বাউল সংগীত পরিবেশনা।
শুক্রবার সকালে মালিয়াট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর সকালে এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারু ও কারুকলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক বিমানেশ বিশ্বাস।
বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের জীবন ও দর্শন বিষয়ক আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
‘সর্বজনীন রাসমোহন মিশ্র সেবাশ্রম’-এর সভাপতি রমেশ চন্দ্র অধিকারীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন নড়াইল সদর হাসপাতালের চিকিৎসক অলোক বাগচী, নড়াইল জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মহাসংঘের সদস্য অশোক কুমার বিশ্বাস, ঝিকড়গাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র গোস্বামী, রঞ্জন কুমার রায়, রাজিব বিশ্বাস, বিপুল বিশ্বাস, সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক কানাই লাল মল্লিক, নির্মল বিশ্বাস, সুরঞ্জন গুপ্ত, দীপক অধিকারীসহ আরও অনেকে।
আলোচকরা বলেন, পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্র ছিলেন অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষাবিস্তারে এক অনন্য পথপ্রদর্শক। তাঁর চিন্তা ও কর্ম আজও সমাজকে আলোকিত করে চলেছে।
শনিবার একই স্থানে আলোচনা সভা ও বাউল সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্র ১৮৭২ সালে মালিয়াট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যশোর-নড়াইল সীমান্তবর্তী এগারোখান (১১টি গ্রাম) অঞ্চলের প্রথম ব্যক্তি, যিনি মুসলমানদের মক্তব থেকে আন্ডার প্রাইমারি (ইউপি) পাস করেন। শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আলোর পথিকৃৎ রাসমোহন মিশ্রের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
এগারোখান অঞ্চলের আলোকবর্তিকা, সমাজসংস্কারক ও শিক্ষাবিদ পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে ‘সর্বজনীন রাসমোহন মিশ্র সেবাশ্রম’। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে তাঁর জীবন ও দর্শনভিত্তিক আলোচনা সভা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, হরিলীলামৃত পাঠ এবং বাউল সংগীত পরিবেশনা।
শুক্রবার সকালে মালিয়াট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর সকালে এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারু ও কারুকলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক বিমানেশ বিশ্বাস।
বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্রের জীবন ও দর্শন বিষয়ক আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
‘সর্বজনীন রাসমোহন মিশ্র সেবাশ্রম’-এর সভাপতি রমেশ চন্দ্র অধিকারীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন নড়াইল সদর হাসপাতালের চিকিৎসক অলোক বাগচী, নড়াইল জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মহাসংঘের সদস্য অশোক কুমার বিশ্বাস, ঝিকড়গাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র গোস্বামী, রঞ্জন কুমার রায়, রাজিব বিশ্বাস, বিপুল বিশ্বাস, সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক কানাই লাল মল্লিক, নির্মল বিশ্বাস, সুরঞ্জন গুপ্ত, দীপক অধিকারীসহ আরও অনেকে।
আলোচকরা বলেন, পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্র ছিলেন অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষাবিস্তারে এক অনন্য পথপ্রদর্শক। তাঁর চিন্তা ও কর্ম আজও সমাজকে আলোকিত করে চলেছে।
শনিবার একই স্থানে আলোচনা সভা ও বাউল সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, পণ্ডিত রাসমোহন মিশ্র ১৮৭২ সালে মালিয়াট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যশোর-নড়াইল সীমান্তবর্তী এগারোখান (১১টি গ্রাম) অঞ্চলের প্রথম ব্যক্তি, যিনি মুসলমানদের মক্তব থেকে আন্ডার প্রাইমারি (ইউপি) পাস করেন। শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন।