ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

উখিয়ার কৃষক তৈয়ব চাষ করলেন ৭ কানি: ৬ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সার পেলেন ৫ কেজি

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার

কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় সার সংকট আকার ধারণ করেছে।যা পাচ্ছেন,তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।পর্যাপ্ত সার কাগজে- কলমে বরাদ্দ আছে। কিন্তু কৃষকের হাতে নয়।যেভাবে সংকট উত্তরণে লাইনে দাড়িয়েছেন কৃষকরা।কক্সবাজারের উখিয়ার কৃষক মোহাম্মদ তৈয়ব চলতি আমন মৌসুমে ৭ কানি জমিতে ধান চাষ করেন।চাহিদা মত সার নিতে সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়েছিলে।কিন্তু বিধিবাম পেয়েছেন মাত্র ৫ কেজি সার।চাহিদা অনুয়ায়ী সার কম পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।মোহাম্মদ তৈয়ব উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তরপুকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। চলতি মৌসুমে তিনি ৭ কানি জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন বলে জানান। ধানের জমির জন্য প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।দিনভর অপেক্ষার পর তার ভাগ্যে জোটে মাত্র ৫ কেজি সার।তিনি জানান, ৭ কানি জমিতে ধান চাষ করেছি। সার পাওয়ার আশায় সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৫ কেজি সার পেয়েছি। এই পরিমাণ সার দিয়ে এত জমির চাষাবাদ কীভাবে করব, বুঝতে পারছি না।তিনি আরও বলেন, “সময়মতো প্রয়োজনীয় সার না পেলে ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে চাহিদার তুলনায় সার সরবরাহ কম থাকায় তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে।অনেক কৃষক জমির পরিমাণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীস সরকার বলেন, আজ সকাল থেকে অক্টোবর মাসের ৯৬ মেট্রিক টন সার বরাদ্দের বিক্রি শুরু হয়েছে। আমরা বলেছি, কমবেশি হলেও যেন সব কৃষকের হাতে সার পৌঁছে। চাহিদার তুলনায় কম হলেও কেউ যেন খালি হাতে ফিরে না যান।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
12 October 2026

দুপচাঁচিয়ায় ট্যাপেন্টাডল-সহ রনি নামের মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

উখিয়ার কৃষক তৈয়ব চাষ করলেন ৭ কানি: ৬ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সার পেলেন ৫ কেজি

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:২৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার

কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় সার সংকট আকার ধারণ করেছে।যা পাচ্ছেন,তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।পর্যাপ্ত সার কাগজে- কলমে বরাদ্দ আছে। কিন্তু কৃষকের হাতে নয়।যেভাবে সংকট উত্তরণে লাইনে দাড়িয়েছেন কৃষকরা।কক্সবাজারের উখিয়ার কৃষক মোহাম্মদ তৈয়ব চলতি আমন মৌসুমে ৭ কানি জমিতে ধান চাষ করেন।চাহিদা মত সার নিতে সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়েছিলে।কিন্তু বিধিবাম পেয়েছেন মাত্র ৫ কেজি সার।চাহিদা অনুয়ায়ী সার কম পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।মোহাম্মদ তৈয়ব উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তরপুকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। চলতি মৌসুমে তিনি ৭ কানি জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন বলে জানান। ধানের জমির জন্য প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।দিনভর অপেক্ষার পর তার ভাগ্যে জোটে মাত্র ৫ কেজি সার।তিনি জানান, ৭ কানি জমিতে ধান চাষ করেছি। সার পাওয়ার আশায় সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৫ কেজি সার পেয়েছি। এই পরিমাণ সার দিয়ে এত জমির চাষাবাদ কীভাবে করব, বুঝতে পারছি না।তিনি আরও বলেন, “সময়মতো প্রয়োজনীয় সার না পেলে ধানের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে চাহিদার তুলনায় সার সরবরাহ কম থাকায় তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে।অনেক কৃষক জমির পরিমাণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীস সরকার বলেন, আজ সকাল থেকে অক্টোবর মাসের ৯৬ মেট্রিক টন সার বরাদ্দের বিক্রি শুরু হয়েছে। আমরা বলেছি, কমবেশি হলেও যেন সব কৃষকের হাতে সার পৌঁছে। চাহিদার তুলনায় কম হলেও কেউ যেন খালি হাতে ফিরে না যান।

Share this news as a Photo Card