ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
এক যুগ অপেক্ষার পর ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে খুলনা জেলা কারাগারের কার্যক্রম!

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
- / ২১২ বার পঠিত

প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে খুলনা নবনির্মিত কারাগারটি সম্পন্ন হয়ে আগামীকাল শনিবার কার্যক্রম চালু হতে যাচ্ছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে খুলনা জেল কর্তৃপক্ষ। তবে নতুন জেলখানার কার্যক্রম চালু হলেও ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত পুরাতন জেলখানাটি খুলনা মহানগর জেল কারাগার হিসাবে থাকবে বলও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
প্রকল্পটি শতভাগ সম্পন্ন না হলেও ইতোমধ্যে ৯৮ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তবে নতুন জেলখানাটি প্রায় এক যুগ আগে খুলনা শহরের বাইপাস সড়কে ৩০ একর জমির উপর ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ের মাধ্যমে জেলা কারাগারটি হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কারণ অজুহাত দেখিয়ে কর্তৃপক্ষকে সময় মতন হস্তান্তর করতে পারেনি বিধায় প্রকল্পের অর্থনৈতিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবশেষে গত বছর ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গণপূর্ত বিভাগের বেশ কিছু সাবেক কর্মকর্তা পরিবর্তন হওয়ার পর নতুন কর্মকর্তাগণ এসে বিষয়টি তদারকি করার পর অবশেষে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি ৯৮% কাজ সম্পন্ন করে জেল কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করার পর ২৫ অক্টোবর শনিবার ১০০ জন কারাবন্দীদের স্থানান্তর করার মাধ্যমে নতুন জেলা কারাগারের কার্যক্রম শুরু করবে।
অপরদিকে খুলনা জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে পুরনো জেলখানা ঘাট এলাকার কারাগার থেকে নতুন কারাগারে বন্দীদের স্থানান্তরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে । প্রথম পর্যায়ে শনিবার ১শ’ জন বন্দীকে নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন জেল সুপারিন্টেডেন্ট মুনির হোসেন।
ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত জেলখানা ঘাটের বর্তমান কারাগারটি খুলনা মহানগর কারাগার হিসেবে চালু থাকবে।
জেল সুপারিন্টেডেন্ট জানান, পুরনো কারাগারে ধারণ ক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ অর্থাৎ ১ হাজার ৪শ’রও বেশি বন্দী থাকায় সেখানে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন কারাগার চালু হলে তা অনেকটাই লাঘব হবে। গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এ কারাগারে মোট ৫২টি অবকাঠামো রয়েছে এবং এটি সর্বোচ্চ ৪ হাজার বন্দী ধারণ করতে সক্ষম। এটি একটি সংশোধনাগার হিসেবে নকশা করা হয়েছে, যেখানে বিচারাধীন ও দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য পৃথক ইউনিট ছাড়াও কিশোর ও নারী বন্দীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ কারাগারে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, ওয়ার্কশপ, পাঠাগার, কারারক্ষীদের সন্তানদের জন্য বিদ্যালয়, ডে-কেয়ার সেন্টার এবং নারী বন্দীদের সন্তানসহ থাকার জন্য বিনোদন কেন্দ্রও থাকবে।
ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত পুরনো খুলনা কারাগারটি ১৯১২ সালে নির্মিত হয়েছিল, যা ৬৭৮ জন বন্দীর ধারণ ক্ষমতা ছিল। তবে পুরাতন জেলখানাটিতে জেলবন্দীদের নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও তা পূর্বের তুলনায় অনেক কম যাতে করে কয়েদিরা ভিতরে স্বাচ্ছন্দে কাটাতে পারে।
তাছাড়া অধিক কয়েদি একসঙ্গে থাকলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক সংঘাত ও বিভিন্ন সময় ধারণ ক্ষমতার থেকেও অধিক কয়েদি একসাথে থাকলে শারীরিকভাবে অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে আর সেটাকে লক্ষ্য রেখে জেলা ও মহানগর দুটো জেল হাজতই চালু থাকবে।
আরও পড়ুন:













