ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রচারের শুরুতেই জনজোয়ার

কলস প্রতীকে ভোটের মাঠ কাঁপালেন অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২৬ বার পঠিত
জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রথম দিনেই যশোরের মনিরামপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন ব্যাপক জনসমাগমের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার পৌর শহরজুড়ে কলস প্রতীকের পক্ষে আয়োজিত পথসভা ও বিশাল প্রচার মিছিল ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নারী–পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পৌর শহর কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
বিকেল সাড়ে তিনটায় গরুহাট মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর আড়াইটার মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক দলে দলে সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। অনেকের হাতে ছিল বড় আকারের কলস প্রতীক, মুখে ছিল স্লোগান। সময়ের আগেই গরুহাট মোড় ছাড়িয়ে জিএন ফিলিং স্টেশন, ভবগবানপাড়া, ধানহাট, পাইলট স্কুলসহ আশপাশের সড়ক ও অলিগলি লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।
পৌর বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে মনিরামপুরের উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। আবেগঘন কণ্ঠে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মনিরামপুরকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে তুলে ধরে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী উপজেলা গড়ে তুলতেই তিনি নির্বাচনে এসেছেন। তার বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা কলস উঁচিয়ে ধরে নানা স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মকবুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব হাসান ফারুক, একে আজাদ, শাহিনুর রহমান পান্না, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক, মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার ফারুক মিন্টু, সন্তোষ স্বর, খান শফিয়ার রহমান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুজ্জামান দীপু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন, আব্বাস উদ্দিন এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওলিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
বক্তারা বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রথম দিনেই যে বিপুল জনসমাগম ঘটেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে মনিরামপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী নির্বাচনে কলস প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
পথসভা শেষে গরুহাট মোড় থেকে একটি বিশাল প্রচার মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পুরো মিছিলজুড়ে কলস প্রতীকের স্লোগান, হাততালি ও উচ্ছ্বাসে নির্বাচনী আমেজ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
প্রচারের প্রথম দিনেই এমন জনস্রোত ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মনিরামপুরের ভোটের সমীকরণে অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন যে বড় ধরনের চমক দিতে যাচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

প্রচারের শুরুতেই জনজোয়ার

কলস প্রতীকে ভোটের মাঠ কাঁপালেন অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রথম দিনেই যশোরের মনিরামপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন ব্যাপক জনসমাগমের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার পৌর শহরজুড়ে কলস প্রতীকের পক্ষে আয়োজিত পথসভা ও বিশাল প্রচার মিছিল ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নারী–পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পৌর শহর কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
বিকেল সাড়ে তিনটায় গরুহাট মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর আড়াইটার মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক দলে দলে সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন। অনেকের হাতে ছিল বড় আকারের কলস প্রতীক, মুখে ছিল স্লোগান। সময়ের আগেই গরুহাট মোড় ছাড়িয়ে জিএন ফিলিং স্টেশন, ভবগবানপাড়া, ধানহাট, পাইলট স্কুলসহ আশপাশের সড়ক ও অলিগলি লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।
পৌর বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে মনিরামপুরের উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। আবেগঘন কণ্ঠে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মনিরামপুরকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে তুলে ধরে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী উপজেলা গড়ে তুলতেই তিনি নির্বাচনে এসেছেন। তার বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা কলস উঁচিয়ে ধরে নানা স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মকবুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব হাসান ফারুক, একে আজাদ, শাহিনুর রহমান পান্না, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক, মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার ফারুক মিন্টু, সন্তোষ স্বর, খান শফিয়ার রহমান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুজ্জামান দীপু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন, আব্বাস উদ্দিন এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওলিয়ার রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
বক্তারা বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রচারের প্রথম দিনেই যে বিপুল জনসমাগম ঘটেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে মনিরামপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী নির্বাচনে কলস প্রতীক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
পথসভা শেষে গরুহাট মোড় থেকে একটি বিশাল প্রচার মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পুরো মিছিলজুড়ে কলস প্রতীকের স্লোগান, হাততালি ও উচ্ছ্বাসে নির্বাচনী আমেজ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
প্রচারের প্রথম দিনেই এমন জনস্রোত ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মনিরামপুরের ভোটের সমীকরণে অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন যে বড় ধরনের চমক দিতে যাচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।