ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

কারাগারে থেকেও স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ

মোস্তাফিজুর রহমান রতন
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২০৩ বার পঠিত
কারাগারে থেকেও স্কুলের প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন উঠানোর অভিযোগ উঠেছে। নাটোরের লালপুর উপজেলার রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ এর বিরুদ্ধে তার প্রথম স্ত্রী সুমিতা সুলতানা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন। এছাড়া রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান একই স্কুলের সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ কারাগারে থাকা অবস্থায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেখিয়ে বেতন উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মতামত,সুমিতা সুলতানা বলেন,আমার স্বামী একজন প্রতারক। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি। আর সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ বলেন,আমি আদালতের মাধ্যমে আমার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এদিকে রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কারাগারে থেকেও স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কারাগারে থেকেও স্কুলের প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন উঠানোর অভিযোগ উঠেছে। নাটোরের লালপুর উপজেলার রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ এর বিরুদ্ধে তার প্রথম স্ত্রী সুমিতা সুলতানা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন। এছাড়া রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান একই স্কুলের সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ কারাগারে থাকা অবস্থায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেখিয়ে বেতন উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মতামত,সুমিতা সুলতানা বলেন,আমার স্বামী একজন প্রতারক। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি। আর সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ বলেন,আমি আদালতের মাধ্যমে আমার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এদিকে রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।